kalerkantho

শুক্রবার । ২৪ মে ২০১৯। ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৮ রমজান ১৪৪০

বাংলাদেশবিষয়ক ব্রিফিংয়ে সমালোচিত হলেন ট্রাম্পও

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

১৮ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার সময় মানবাধিকার ইস্যুতে সমালোচিত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের দ্বিদলীয় ককাস-টম ল্যানটোস হিউম্যান রাইটস কমিশনের ব্রিফিংয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের এ সমালোচনা করেছেন হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডাব্লিউ) এশিয়া অঞ্চলের উপদেষ্টা পরিচালক জন সিফটন।

গত বৃহস্পতিবার রাতে ওয়াশিংটনের ক্যাপিটল হিলে হয় এ ব্রিফিং। সেখানে সিফটনের দেওয়া বক্তব্য গতকাল শনিবার ভোরে নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে নিউ ইয়র্কভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরডাব্লিউ। সিফটন তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকট ও মানবাধিকার পরিস্থিতির সমালোচনা করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর প্রেসিডেন্টের (ডোনাল্ড ট্রাম্প) আক্রমণের প্রেক্ষাপটে মানবাধিকার ইস্যু তুলে ধরার মতো যথেষ্ট বিশ্বাসযোগ্যতা ট্রাম্প প্রশাসনের নেই। তবে মার্কিন কংগ্রেস এখনো ভূমিকা পালন করতে পারে।’

পরিস্থিতির উন্নতি না হলে বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুঁশিয়ারি দিয়ে এ বিষয়ে শেখ হাসিনা সরকারের কাছে চিঠি পাঠাতে মার্কিন কংগ্রেসকে সুপারিশ করেন জন সিফটন। তিনি মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী বাংলাদেশের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরোপের সুপারিশও করেছেন।

জানা গেছে, বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর লবিস্ট গ্রুপগুলোর তৎপরতায় ওই ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে একতরফা সমালোচনা করা হয়েছে। ওই ব্রিফিংয়ে জামায়াতে ইসলামীর ব্রিটিশ আইনজীবী টবি ক্যাডম্যানও যোগ দেন।

সেখানে উপস্থিত যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের উপরাষ্ট্রদূত মাহবুব হাসান সালেহ জানান, সরকার ইতিমধ্যে আগামী নির্বাচনে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের স্বাগত জানানোর ঘোষণা দিয়েছে। তাই বিদেশি পর্যবেক্ষকদের আসতে বাধা দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। এ ছাড়া বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ স্বাধীন।

উপরাষ্ট্রদূত বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থেই সরকার সব দলের সঙ্গে সংলাপে বসেছে ও সবার মতামত নিয়েছে।

 

মন্তব্য