kalerkantho

রবিবার। ১৬ জুন ২০১৯। ২ আষাঢ় ১৪২৬। ১২ শাওয়াল ১৪৪০

পাঠ পর্যালোচনা সভায় বক্তারা

ঐতিহ্য না জানায় শিকড়হীন বৃক্ষ হয়ে যাচ্ছে নবীন প্রজন্ম

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সাংস্কৃতিক আড্ডা, পারস্পরিক মতবিনিময় এবং পাঠাভ্যাস কমায় ক্রমেই অনুভূতিহীন এক যান্ত্রিক সমাজ তৈরি হচ্ছে। অসহিষ্ণু হচ্ছে মানুষ। এ ছাড়া সাহিত্যে আবহমানকালের সম্প্রীতি, প্রান্তিক জীবনাচার এবং লোকজ ঐহিত্য তুলে না ধরায় শিকড়হীন বৃক্ষে পরিণত হচ্ছে নবীন প্রজন্ম। গতকাল শুক্রবার সকালে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে ইসফেনদিয়ার জাহেদ হাসান মিলনায়তনে এক পাঠ পর্যালোচনা অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।

তরুণ লেখক আবদুল্লাহ আল ইমরানের উপন্যাস ‘দিবানিশি’ নিয়ে এই পর্যালোচনার আয়োজন করে অন্বেষা প্রকাশন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) সাহিত্য সংসদ। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাবি উপ-উপাচার্য কবি ড. মুহাম্মদ সামাদ।

উপন্যাস পর্যালোচনায় অংশ নেন শিল্পী সব্যসাচী হাজরা, সাংবাদিক মোহাম্মদ আবুবকর সিদ্দিক, জাগৃতি প্রকাশনীর প্রকাশক ডা. রাজিয়া রহমান জলি, লেখক কিঙ্কর আহসান, সাহিত্য সংসদের সভাপতি অপূর্ব আরিয়ান দাস, আইটি সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আরিফ দেওয়ান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন অন্বেষার প্রকাশক মো. শাহাদাত হোসেন।

কবি মুহাম্মদ সামাদ বলেন, ‘দক্ষিণাঞ্চলে দেবী মনসার পূজা-অর্চনার ঐহিত্যবাহী ধারা প্রচলিত। এখনো রাতভর বয়ানি গীতের আসর বসে। মনসামঙ্গল কাব্যের এমন প্রভাবের মধ্যেও মারফতি নূরে উদ্ভাসিত ধীমান মানুষ অন্য এক জগৎ তৈরি করেছেন। উপন্যাসে ইতিহাস এবং লোকজ মিথের আশ্রয়ে লোকচক্ষুর অন্তরালে বহমান এক জনপদের দিনরাতের গল্প বলেছেন লেখক।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা