kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৫ জুন ২০১৯। ১১ আষাঢ় ১৪২৬। ২২ শাওয়াল ১৪৪০

পিইসি ও ইবতেদায়ি শুরু রবিবার

৩১ লাখ শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আগামী ১৮ নভেম্বর রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা। পরীক্ষা শেষ হবে ২৬ নভেম্বর। এবার পিইসি ও ইবতেদায়ি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে প্রায় ৩১ লাখ শিক্ষার্থী। এবারই প্রথম এ পরীক্ষায় এমসিকিউ পদ্ধতি থাকছে না। এর বদলে শিক্ষার্থীদের দিতে হবে এক কথায় উত্তর। ছয়টি বিষয়ের প্রতিটিতে ১০০ নম্বর করে মোট ৬০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে পিইসি ও ইবতেদায়ি পরীক্ষা উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০১৮ সালের পিইসি পরীক্ষায় অংশ নেবে ২৭ লাখ ৭৭ হাজার ২৭০ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র ১২ লাখ ৭৮ হাজার ৭৪২ জন এবং ছাত্রী ১৪ লাখ ৯৮ হাজার ৫২৮ জন। গত বছরের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থী কমেছে প্রায় ২৮ হাজার।

এবার ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় তিন লাখ ১৭ হাজার ৮৫৩ জন অংশ নেবে। এর মধ্যে ছাত্র এক লাখ ৬৬ হাজার ৮১৪ জন এবং ছাত্রী এক লাখ ৫১ হাজার ৩৯ জন। গতবারের চেয়ে ২৩ হাজার ৪৭২ জন বেশি শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। এবার সাত হাজার ৪১০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে দেশে সাত হাজার ৩৯৭টি এবং দেশের বাইরে ১২টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পিইসি ও ইবতেদায়ি পরীক্ষায় ছাত্রের চেয়ে ছাত্রী দুই লাখ ১৯ হাজার ৭৮৬ জন বেশি।

এ বছর পিইসি পরীক্ষায় তিন হাজার ৬৩ জন এবং ইবতেদায়ি পরীক্ষায় ২৩১ জনসহ মোট তিন হাজার ২৯৪ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থী অংশ নেবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী বলেন, ‘পরীক্ষার সময় সংশ্লিষ্ট সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। এ ব্যাপারে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা গ্রহণের লক্ষ্যে প্রতিটি জেলার পরীক্ষা কার্যক্রম পরিদর্শনের জন্য ভিজিল্যান্স টিম গঠন করা হয়েছে।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনের কারণে পরীক্ষার ফল প্রকাশ, বই বিতরণে কোনো সমস্যা হবে না।’ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা মহাপরিচালক ড. মো. আবু হেনা মোস্তাফা কামাল, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. এ এফ এম মঞ্জুর কাদির, অতিরিক্ত সচিব মো. গিয়াস উদ্দিন প্রমুখ।

মন্তব্য