kalerkantho

সোমবার। ১৭ জুন ২০১৯। ৩ আষাঢ় ১৪২৬। ১৩ শাওয়াল ১৪৪০

হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগে বহাল

‘চোখ হারানো’ ১৭ ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ দিতেই হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চুয়াডাঙ্গায় বেসরকারি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পর ‘চোখ হারানো’ ১৭ ব্যক্তির প্রত্যেককে ১০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ স্থগিত করেননি আপিল বিভাগ। হাইকোর্টের রায় স্থগিত করতে ওষুধ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান আইরিশের করা আবেদনের ওপর শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগ গতকাল বৃহস্পতিবার ‘নো অর্ডার’ বলে আদেশ দিয়েছেন।

ফলে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রইল। আইরিশ কম্পানির পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম। রিট আবেদনকারীপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট অমিত দাসগুপ্ত।

গত ২১ অক্টোবর হাইকোর্ট এক রায়ে চোখ হারানো ১৭ জনের প্রত্যেককে ১০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দেন। তাতে বলা হয়, চুয়াডাঙ্গার ইম্প্যাক্ট মাসুদুল হক মেমোরিয়াল কমিউনিটি হেলথ সেন্টার ও ওষুধ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান আইরিশ পাঁচ লাখ টাকা করে মোট ১০ লাখ টাকা করে পরিশোধ করবে। রায়ের কপি পাওয়ার এক মাসের মধ্যে চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জনের কাছে ক্ষতিপূরণের টাকা জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

এই টাকা পরিশোধ করে আদালতে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়। একই সঙ্গে চোখ হারানো ১৭ জনসহ ক্ষতিগ্রস্ত ২০ ব্যক্তির আজীবন চোখের চিকিৎসা করতে ইম্প্যাক্ট মাসুদুল হক মেমোরিয়াল কমিউনিটি হেলথ সেন্টারকে নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে দেশের কোনো হাসপাতালে চিকিৎসাজনিত অবহেলার ঘটনা ঘটলে তা পর্যবেক্ষণ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে সাত সদস্যের কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে গঠিত এ কমিটিতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, আইনজীবীসহ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ রাখতে বলা হয়। 

‘চক্ষু শিবিরে গিয়ে চোখ হারালেন ২০ জন!’ শিরোনামে গত ২৯ মার্চ একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এ প্রতিবেদন যুক্ত করে রিট আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অমিত দাসগুপ্ত। এ বিষয়ে গত ১ এপ্রিল রুল জারি করেন হাইকোর্ট। এ রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত ২১ অক্টোবর রায় দেন হাইকোর্ট।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা