kalerkantho

শুক্রবার । ২৪ মে ২০১৯। ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৮ রমজান ১৪৪০

খালেদা জিয়ার জামিন নিয়ে হাইকোর্টের আদেশ রবিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১০ আগস্ট, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানার মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন বিষয়ে হাইকোর্টে আদেশের জন্য রবিবার দিন ধার্য হয়েছে। এদিকে নড়াইলের একটি মানহানি মামলায় গতকাল বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করা হয়েছে। অন্যদিকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আপিলের শুনানি অব্যাহত রয়েছে।

আদালত সূত্র জানায়, চৌদ্দগ্রাম এলাকায় যাত্রীবাহী বাসে বোমা নিক্ষেপের ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় খালেদা জিয়াকে হাইকোর্ট গত ৬ আগস্ট ছয় মাসের জামিন দেন। এ জামিন বাতিল চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের ওপর আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি গতকাল সম্পন্ন হয়েছে। আদালত আগামী ১২ আগস্ট আদেশের জন্য দিন ধার্য করেছেন। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগ গতকাল শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ। খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, এ জে মোহাম্মদ আলী ও ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। সঙ্গে ছিলেন খন্দকার মাহবুব হোসেন, জয়নুল আবেদীন, সানাউল্লাহ মিয়া, ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল ও কায়সার কামাল।

এদিকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার করা আপিলের ওপর বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহীম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি অব্যাহত রয়েছে। এ মামলায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ বিচার শেষে গত ৮ ফেব্রুয়ারি রায় দেন। রায়ে খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছর এবং কাজী সালিমুল হক ও শরফুদ্দিন আহমেদকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। রায়ের বিরুদ্ধে তাঁরা পৃথকভাবে আপিল করেন। অন্যদিকে খালেদা জিয়ার সাজা বাড়াতে হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই চার আবেদন হাইকোর্ট বেঞ্চে বিচারাধীন। এর মধ্যে প্রথমে খালেদা জিয়ার করা আপিলের ওপর গত ১২ জুলাই শুনানি শুরু হয়ে অব্যাহত রয়েছে।

অন্যদিকে মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করায় ২০১৫ সালে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নড়াইলে একটি মানহানির মামলা হয়েছিল। ২০১৬ সালের ২৩ আগস্ট খালেদা জিয়াকে এ মামলায় সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন আদালত। তিনি আদালতে হাজির না হওয়ায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। মামলাটিতে খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন গত ৫ আগস্ট খারিজ করেন নড়াইল আদালত। এ অবস্থায় হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করা হয়েছে।

 

 

মন্তব্য