kalerkantho

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসে সমাবেশ

অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই করার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১০ আগস্ট, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই করার আহ্বান

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উপলক্ষে গতকাল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করে একাধিক আদিবাসী সংগঠন। ছবি : কালের কণ্ঠ

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে বক্তরা বলেছেন, উন্নয়নের নামে বাপ-দাদার ভিটামাটি থেকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে আদিবাসীদের। প্রতিনিয়ত শঙ্কা ও আতঙ্কের ভেতর দিন কাটছে তাদের। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে তাদের। এ অবস্থায় তাদের মাটি আঁকড়ে এ দেশে থাকতে হবে। অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই-সংগ্রাম করতে হবে। কেননা লড়াই ছাড়া অধিকার আদায় হবে না।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ওই সমাবেশের আয়োজন করে আদিবাসী ফোরাম। এতে বক্তারা রাষ্ট্রীয়ভাবে দিবসটি পালন না করায় এবং শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন না করায় সরকারের সমালোচনা করেন।

‘আদিবাসী জাতিসমূহের দেশান্তর : প্রতিরোধের সংগ্রাম’ শীর্ষক প্রতিপাদ্য সামনে রেখে সকালে আদিবাসী ফোরাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশ, শোভাযাত্রা ও বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সকাল সাড়ে ১০টায় সমবেতভাবে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিবসের মূল আয়োজন। পরে একঝাঁক বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সুলতানা কামাল। তিনি বলেন, ‘উন্নয়নের নামে আগেও আদিবাসীদের নিজ বাসভূমি থেকে বিতাড়ন করা হয়েছে, এখনো তা হচ্ছে। আদিবাসীদের অধিকার আদায়ের জন্য প্রতিরোধের সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে।’

দেশের নানা প্রান্ত থেকে প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন, ব্যানার নিয়ে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা সমবেত হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাদদেশে। তাদের দাবির প্রতি সংহতি জানাতে উপস্থিত হয় বাঙালিরাও।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘শান্তিচুক্তির মধ্য দিয়ে পাহাড়ে নানা দ্বন্দ্ব-সংঘাত অবসানের উদ্যোগ নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু দীর্ঘদিন হলেও শান্তিচুক্তি যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। আমরা মনে করি, সরকার চুক্তি বাস্তবায়নে আন্তরিক রয়েছে।’

নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদ বলেন, আদিবাসীদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির পাঁয়তারা হচ্ছে।

সমাবেশ শেষে অনুষ্ঠিত হয় বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। দুপুর ২টায় একটি শোভাযাত্রা বের হয়। শহীদ মিনার থেকে দোয়েল চত্বর, বাংলা একাডেমি, টিএসসি ঘুরে আবার শহীদ মিনারে এসে শেষ হয় শোভাযাত্রাটি।

 

মন্তব্য