kalerkantho

ধর্ষণ মামলার রায় ১৯ বছর পর!

খুলনা অফিস   

১০ আগস্ট, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



খুলনায় ১৯ বছর পর একটি ধর্ষণ মামলার রায় দিয়েছেন আদালত। খালিশপুর হাউজিং স্টেট এলাকায় ওই ধর্ষণের ঘটনায় এক আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩-এর বিচারক মোহাম্মদ মহিদুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেছেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলো খালিশপুর হাউজিং স্টেট এন/জে-১৭ এর বাড়ির ভাড়াটিয়া শাজাহানের ছেলে জালাল। তার গ্রামের বাড়ি বরিশালের গৌরনদী উপজেলায়। আসামি জালাল পলাতক রয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সুমন্ত কুমার বিশ্বাস জানান, খুলনায় মাত্র একটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ছিল। গত মে মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আরো দুটি ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম শুরু হয়। একটি ট্রাইব্যুনাল থাকাকালে মামলা ছিল প্রায় সাত হাজার। তা ছাড়া ওই ট্রাইব্যুনালে বিচারক ছিলেন না দু-তিন বছর। মামলাগুলো তিনটি ট্রাইব্যুনালে ভাগ হয়ে যাওয়ায় ১৯ বছর আগের মামলা মাত্র তিন মাসের মাথায় রায় দেওয়া সম্ভব হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩-এর কার্যক্রম শুরু হয়েছে গত ১৩ মে।

আদালতের পেশকার এস এম বদিউজ্জামান জানান, ক্রিসেন্ট জুট মিলে চাকরির সুবাদে গোপালগঞ্জের এক ব্যক্তি স্ত্রী ও তিন মেয়ে নিয়ে খালিশপুর হাউজিং স্টেট এন/জে-১৭ কলোনিতে থাকতেন। ১৯৯৯ সালের ১৪ এপ্রিল ওই বাসার ভাড়াটিয়া জালাল তাঁর ১৩ বছরের মেয়েকে নিয়ে বেড়ানোর কথা বলে বাইরে যায়। দুপুর ১টার দিকে মেয়ে বাড়ি ফিরে এসে জানায় তাকে জালাল ও আরো একজন প্লাটিনাম কাঁচা কলোনিতে নিয়ে ধর্ষণ করেছে। এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে খালিশপুর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ওই বছরের ৩ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রেজাউল করিম জালালসহ দুজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন।

 

মন্তব্য