kalerkantho

বুধবার । ২৬ জুন ২০১৯। ১২ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

ভালো কাজে বারবার পুরস্কৃত এসপি হারুন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে এ বছর ‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক’ (বিপিএম) পেয়েছেন গাজীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ। এ নিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো তিনি ওই পদক পেলেন। এর আগে তিনি ২০১৩ ও ২০১৪ সালে দুইবার সম্মানসূচক ‘প্রেসিডেন্ট পুলিশ পদক’ (পিপিএম) লাভ করেন।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, ২০১৬ সালে দুই পর্বের বিশ্ব ইজতেমা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা এবং দুর্গাপূজায় জেলাকে অপরাধ ও যানজটমুক্ত রাখতে সক্ষম হন পুলিশ সুপার হারুন। ফলে মুসল্লি এবং ঈদ ও দুর্গাপূজায় ঘরমুখো মানুষ নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরতে পারে। গত ১৯ জুলাই গাজীপুরের বোর্ডবাজার ডাচ্-বাংলা ব্যাংক থেকে ছিনতাই হওয়া ১০ লাখ টাকা উদ্ধার করে মালিককে ফিরিয়ে দেন তিনি। গুলশান হামলার পর ২৭ আগস্ট গাজীপুরের রাজবাড়ি মাঠে কমিউনিটি পুলিশিং ও জঙ্গিবাদবিরোধী সমাবেশের আয়োজন করেন পুলিশ সুপার। জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার কয়েক লাখ মানুষ ওই সমাবেশে যোগ দেয়। এতে জনগণের মধ্যে জঙ্গিবাদবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি হয়। ঈদুল আজহার আগে ১০ সেপ্টেম্বর টঙ্গী বিসিকে টাম্পাকো ফয়েলস কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের পর বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ৩৯ জন নিহত এবং অর্ধশতাধিক শ্রমিক-কর্মচারী আহত হন। পুলিশ সুপার ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে উদ্ধারকাজে নেতৃত্ব দেওয়াসহ আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত এবং নিহতদের লাশ শনাক্ত করে পরিবারের কাছে হস্তান্তরে তাঁর ভূমিকা ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়। ৮ অক্টোবর গাজীপুর শহরের হাড়িনালের পাতারটেক নামক স্থানে জঙ্গি আস্তানায় বিশেষ যৌথ অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে সফল অভিযানে জেএমবি ঢাকা বিভাগীয় প্রধান ফরিদুল ইসলাম ওরফে আকাশসহ ৯ জঙ্গি নিহত হয়। এতে জনগণের কাছে পুলিশের কর্মকাণ্ড প্রশংসিত হয়। এ ছাড়া তিনি বিভিন্ন সময় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার, অস্ত্র উদ্ধার, মাদকসেবী ও মাদকদ্রব্য বিক্রতাদের গ্রেপ্তার এবং মাদকদ্রব্য উদ্ধারে নেতৃত্ব দিয়েছেন। গাজীপুর জেলায় ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবজি, চোরাকারবারি, ভূমিদস্যুদের দখলবাজির মতো অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আনতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা