kalerkantho

ঢাকায় কিশোরী ও সাভারে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা ও সাভার   

২২ আগস্ট, ২০১৫ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বন্ধুর সঙ্গে রাজধানীতে বেড়াতে এসে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরী। গত বৃহস্পতিবার রাতে তাকে তেজগাঁও রেললাইন এলাকা থেকে পুলিশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করেছে।
অন্যদিকে ঢাকার উপকণ্ঠ সাভারের আশুলিয়ায় পঞ্চম শ্রেণিপড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক বখাটেকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে এলাকাবাসী।
তেজগাঁও থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তেজগাঁও রেললাইন এলাকা থেকে ওই কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে অসুস্থ মেয়েটিকে উদ্ধার করে রাতেই ঢামেক হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করা হয়েছে।
ওই কিশোরীর বরাত দিয়ে ওসি জানান, মেয়েটি জানিয়েছে বন্ধু আল আমিনই তাকে ধর্ষণ করেছে। মেয়েটির গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের ত্রিশালে। সে গত বুধবার বন্ধু আল আমিনের সঙ্গে ঢাকায় বেড়াতে আসে। তারা ট্রেনে কমলাপুর রেলস্টেশনে আসে। সেখান থেকে ট্রেনে বনানী রেলস্টেশনে যায়। তেজগাঁও রেললাইন এলাকায় ধর্ষণের পর আল আমিন পালিয়ে গেছে। তাকে ধরতে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।   
অন্যদিকে সাভারের আশুলিয়ায় ধর্ষণের অভিযোগে সোহেল হোসেন (২৪) নামে এক বখাটেকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। ওই বখাটের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার বিকেলে আশুলিয়া থানার শিমুলিয়া ইউনিয়নের টেঙ্গুরী এলাকার কোনাপাড়া দারুল উলুম মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণিপড়ুয়া এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
নির্যাতিত শিশুটির মা জানান, তিনি স্থানীয় একটি তৈরি পোশাক কারখানায় অপারেটর হিসেবে কাজ করেন। বৃহস্পতিবার সকালে প্রতিদিনের মতো মেয়েকে বাসায় রেখে কারখানায় কাজে চলে যান। রাতে বাসায় ফেরার পর মেয়ে তাকে জানায়, বিকেলের দিকে তাদের ভাড়া বাসার পাশের কক্ষে বসবাসরত সোহেল তাকে নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে। বিষয়টি নিয়ে তিনি প্রতিবেশীদের সঙ্গে আলাপ করার সময় সোহেল টের পেয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় এলাকাবাসী তাকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে স্থানীয় শিমুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ বি এম আজাহারুল ইসলাম সুরুজের কাছে হস্তান্তর করে। পরে তিনি গতকাল শুক্রবার সকালে অভিযুক্ত সোহেলকে আশুলিয়া থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। সোহেল একজন টাইলস মিস্ত্রি।
আশুলিয়া থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, নির্যাতিত শিশুটিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে। আটক সোহেলের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা হয়েছে। সোহেল জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী থানার চরপাঙ্গলিয়া এলাকার দেগখুস মিয়ার ছেলে।

মন্তব্য