kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৫ জুন ২০১৯। ১১ আষাঢ় ১৪২৬। ২২ শাওয়াল ১৪৪০

ট্যানারিশিল্পে এক মাসে ক্ষতি ৯৫৯ কোটি টাকা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



টানা অবরোধ-হরতালে ট্যানারিশিল্পের ক্ষতি হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে। লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় রপ্তানি কমেছে ৯০০ কোটি টাকা। সহিংসতা চলতে থাকলে বেকার হয়ে পড়বে এ খাতের ৬৫ হাজার শ্রমিক।

গতকাল সোমবার বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) চেয়ারম্যান মো. শাহিন আহমেদ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান। তিনি বলেন, 'হরতাল-অবরোধের কারণে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেক ক্ষেত্রে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ফলে কোরবানির সময় মজুদকৃত চামড়া এখন আর সরবরাহ করা যাচ্ছে না। বিদেশি ক্রেতারাও আসছেন না চলমান সহিংসতার কারণে।' এসব কারণে জানুয়ারিতে ট্যানারি খাতে ৯৫৯ কোটি টাকার ক্ষতির কথা জানান শাহিন আহমেদ। তিনি জানান, এর মধ্যে মজুদ করা চামড়ার দাম কমে ক্ষতি হয়েছে ৫০০ কোটি টাকা। সরবরাহ কম থাকায় গুণগত মান কমে ক্ষতি হয়েছে ১০০ কোটি টাকার ওপরে। এ ছাড়া আমদানি করা কেমিক্যাল বন্দরে আটকে থাকায় ২০ কোটি টাকা, ট্রাক ভাড়া দ্বিগুণ হওয়ায় ১৫ কোটি টাকা, বিদেশি ক্রেতা না আসায় বন্দরে পণ্য আটকে ৩৪ কোটি টাকা, এয়ার চার্জে বিলম্ব বিল ৪৫ কোটি টাকা, ব্যাংক ঋণ শোধ করতে না পারায় সুদ ৬৫ কোটি টাকা ও শ্রমিকদের বেতন বাবদ ৫২ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ট্যানারি অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মোশাররফ হোসেন, উপদেষ্টা সামসুল হুদা ও সাখাওয়াতুল্লাহ প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনে বিটিএ চেয়ারম্যান আরো জানান, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে এক হাজার ২৯৭ মিলিয়ন ডলারের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বছরের প্রথম সাত মাসে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ক্ষতির পরিমাণ ১০৫ দশমিক ০৫ মিলিয়ন ডলার; যার বড় অংশই জানুয়ারিতে।

ট্যানারি শিল্প স্থানান্তর বিষয়ে বিটিএ চেয়ারম্যানের দাবি, চামড়াশিল্পের চলমান ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ও সাভারে এ শিল্প পুনর্বাসন করতে সরকারি সহায়তা দরকার। সাভারে স্থানান্তর করার পর কমপক্ষে ১০ বছর ট্যাক্স হলিডে সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি পাঁচ হাজার কোটি টাকা সিঙ্গেল ডিজিট ঋণ দিতে হবে সরকারকে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা