kalerkantho

সোমবার। ১৭ জুন ২০১৯। ৩ আষাঢ় ১৪২৬। ১৩ শাওয়াল ১৪৪০

'রাজাকার হাসান পেছন থেকে গুলি ছুড়ে হত্যা করে রশিদকে'

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'রাজাকার হাসান পেছন থেকে গুলি ছুড়ে হত্যা করে রশিদকে'

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পলাতক সৈয়দ হাসান আলী ওরফে হাছেন আলীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের ১২তম সাক্ষী আতাহার আলী ভুঁইয়া। সাক্ষ্যে তিনি বলেন, 'একাত্তরের ১১ ডিসেম্বর আমার পাশের বাড়ির আব্দুর রশিদের বাড়িতে রাজাকাররা আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় আব্দুর রশিদ দৌড়ে পালাতে গেলে রাজাকার হাসান আলী পেছন থেকে গুলি করে তাঁকে হত্যা করে।'

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ গতকাল সোমবার সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন। সাক্ষ্য শেষে আতাহার আলীকে জেরা করেন পলাতক হাসান আলীর পক্ষে সরকারি খরচে নিয়োগ পাওয়া আইনজীবী আব্দুস শুকুর খান।

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল থানার পশ্চিম সাচাইল গ্রামের সাক্ষী আতাহার আলী বলেন, মুক্তিযুদ্ধ শুরুর এক মাস পর পাকিস্তানি আর্মিরা তাড়াইল থানায় আসে এবং রাজাকার ক্যাম্প স্থাপন করে। ক্যাম্প স্থাপনের কিছুদিন পর রাজাকার হাসান আলী কমান্ডার ও তাঁর সহযোগী রাজাকাররা তাড়াইলের বিভিন্ন এলাকায় লুটপাট, নিরীহ মানুষের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন শুরু করে।

সাক্ষী বলেন, 'একাত্তরের ১১ ডিসেম্বর আমার পাশের বাড়ির আব্দুর রশিদের বাড়িতে রাজাকাররা আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় আব্দুর রশিদ দৌড়ে পালাতে গেলে রাজাকার হাসান আলী পেছন থেকে গুলি করে তাঁকে হত্যা করে। নিজ বাড়ির পেছনে ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে এই আমি এই হত্যাকাণ্ড দেখি। ঘটনার পর হাসান আলী বাঁশিতে ফুঁ দিলে রাজাকাররা একত্রিত হয়ে সেখান থেকে চলে যায়। তারা চলে যাওয়ার পর সন্ধ্যার দিকে আমিসহ গ্রামের অনেকে আব্দুর রশিদের লাশ প্রত্যক্ষ করি এবং সংবাদটি তাঁর শ্বশুরবাড়িতে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করি।'

প্রসঙ্গত, গত ১৫ সেপ্টেম্বর পলাতক রাজাকার হাসান আলীর অনুপস্থিতিতে মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরুর নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আগে থেকেই পালিয়ে থাকা হাসান আলীর বিরুদ্ধে গত ২৪ আগস্ট আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা