• ই-পেপার

বায়ুদূষণে শীর্ষে লাহোর, ঢাকার বাতাসের মান মাঝারি

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে

অনলাইন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এ সভা শুরু হয়।

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি সুজন মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘সভায় বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হচ্ছে।’

এক সময়ে কর্মসংস্থানের স্বপ্ন দেখানো মিরসরাইয়ের ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল গণঅভ্যুত্থানের পর মুখ থুবড়ে পড়েছে। ৯০০ একর জায়গায় ৯১৯ কোটি টাকা ব্যয়ে শুরু হওয়া এই প্রকল্প মাঝপথে গত ফেব্রুয়ারিতে বাতিল করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

এবার এক লাখ কর্মসংস্থান ও ৫০০ মিলিয়ন ডলারের বিদেশি বিনিয়োগের আশা নিয়ে একনেকে উঠছে চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চল নির্মাণ প্রকল্প। এটি চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ৮০০ একর জায়গায় বাস্তবায়ন হবে। ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ একনেক সভায় এই প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য তোলা হতে পারে। চট্টগ্রামের আনোয়ারায় কর্ণফুলী নদীর মোহনার কাছে বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে গড়ে উঠবে চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চল।

প্রকল্পটিতে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ১ হাজার ৭২২ কোটি টাকা এবং প্রকল্প সহায়তা হিসেবে চীন দেবে ২ হাজার ৪৬৭ কোটি টাকা। প্রকল্পটি জানুয়ারি ২০২৭ থেকে ডিসেম্বর ২০৩১ সাল পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হবে।

নবম পে স্কেলের চাপ : পরিচালন ব্যয় বাড়ল ৮ হাজার কোটি টাকা

অনলাইন ডেস্ক
নবম পে স্কেলের চাপ : পরিচালন ব্যয় বাড়ল ৮ হাজার কোটি টাকা
সংগৃহীত ছবি

আগামী জুলাই মাসের ১ তারিখ থেকে পে স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

এদিকে, পে স্কেল শতভাগ বাস্তবায়নসহ সরকারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির আহ্বায়ক আবদুল মালেক। তিনি বলেছেন, কর্মচারীদের মধ্যে একটা চরম হতাশা কাজ করছে যে, আসলেই আমরা ৫০ শতাংশ পাব নাকি ১০০ শতাংশ পাব? যদিও সরকার থেকে আমরা কোনো আপডেট জানি না।

কঠোর ব্যয় সংকোচনের ঘোষণা থাকলেও আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে পরিচালন ব্যয়ের লাগাম টানা সম্ভব হচ্ছে না। ধারণা করা হচ্ছে, নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় শেষ মুহূর্তে অনুৎপাদনশীল এ খাতে আরো ৮ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে পরিচালন ব্যয় লাফিয়ে বেড়ে ৬ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়াচ্ছে, যা ৩ লাখ কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) দ্বিগুণেরও বেশি। বিশাল এই পরিচালন ব্যয় মেটাতে গিয়ে উন্নয়ন খাত যেমন সংকুচিত হচ্ছে, তেমনই অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির নতুন চাপ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। যুগান্তরের এক প্রতিবেদনে এসব বিষয় জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু বেতন বৃদ্ধি নয়, বরং কাঠামোগত সংস্কারের মাধ্যমে রাজস্ব আয় এবং সরকারি সেবার মান বাড়াতে না পারলে বিশাল ঘাটতির এই বাজেট বাস্তবায়ন বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।

এর আগে মে মাসে বাজেটের প্রাথমিক রূপরেখা তৈরির সময় পরিচালন ব্যয়ের জন্য ৬ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব ছিল। একই সঙ্গে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নে ৩ লাখ কোটি টাকা বরাদ্দের অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত সামনে আসার পর হিসাবনিকাশ বদলে যায়। নতুন পে স্কেলের প্রথম ধাপ কার্যকর করতে বাজেটে অতিরিক্ত ৩৭ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে। তাই শেষ পর্যন্ত পরিচালন ব্যয়ে আরও ৮ হাজার কোটি টাকা যুক্ত করা হয়। এর ফলে সামগ্রিক বাজেটের আকার বেড়ে হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা।

অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের ফলে সরকারি চাকরিজীবীদের ক্রয়ক্ষমতা বাড়বে। এতে বাজারে চাহিদা বৃদ্ধি পাবে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে কিছু ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তবে উৎপাদন না বাড়িয়ে ভোগ ব্যয় বাড়লে মূল্যস্ফীতির ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে সাবেক অর্থ সচিব মাহবুব আহমেদ বলেন, বহু বছর ধরে বেতন কাঠামোয় বড় ধরনের সমন্বয় হয়নি। মূল্যস্ফীতি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় বেতন বাড়ানো প্রয়োজন ছিল। তবে এই ব্যয়ের বিপরীতে প্রশাসনিক দক্ষতা ও সেবার মানও বাড়তে হবে। শুধু বেতন বৃদ্ধি করলে রাষ্ট্রের ব্যয় বাড়বে; কিন্তু কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না।

তিনি আরো বলেন, বর্তমানে সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে রাজস্ব আয় বৃদ্ধি। যদি রাজস্ব আহরণ উল্লেখযোগ্যভাবে না বাড়ে, তাহলে বাড়তি ব্যয় মেটাতে সরকারকে ঋণের ওপর আরও বেশি নির্ভর করতে হবে। এতে বেসরকারি খাতের জন্য ঋণপ্রবাহ সংকুচিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

এদিকে, পরিচালন ব্যয়ের এই লাগামহীন বৃদ্ধির কারণে ক্রমাগত সংকুচিত হয়ে পড়ছে উন্নয়ন খাতের পরিধি। ফলে থমকে যাচ্ছে নতুন অবকাঠামো নির্মাণ এবং সরকারি বিনিয়োগের গতি। একটি উন্নয়নশীল দেশের জন্য পরিচালন ব্যয় ও উন্নয়ন ব্যয়ের মধ্যে একটি সুস্থ ভারসাম্য থাকা জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

তারা বলছেন, এই ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে হলে কঠোর ব্যয় সংকোচন নীতি, সরকারি কর্মকর্তাদের অপ্রয়োজনীয় বিদেশ ভ্রমণ, বিলাসবহুল গাড়ি কেনা এবং অনুৎপাদনশীল খাতের খরচ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। অন্যদিকে, রাজস্ব আয় বাড়ানো, ভর্তুকি ব্যবস্থার সংস্কার, এডিপি বাস্তবায়নে দক্ষতা বৃদ্ধি, অবকাঠামো খাত উন্নয়নে সরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর মতো পদক্ষেপ নিতে হবে।

এ প্রসঙ্গে পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এম মাসরুর রিয়াজ বলেন, সরকারি ব্যয়ের দক্ষতা এবং রাজস্ব খাতের কাঠামোগত সংস্কারের ওপর জোর দেওয়া সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে যে কোনো ধরনের অপ্রয়োজনীয় পরিচালন ব্যয় বা অপচয় কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে শুধু বরাদ্দের আকার না বাড়িয়ে ব্যয়ের গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং বেসরকারি খাতের জন্য বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ ধরে রাখতে সরকারকে কৃচ্ছ্রসাধন নীতি অনুসরণ করতে হবে।

সন্ধ্যার মধ্যে ঢাকাসহ ১৪ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক
সন্ধ্যার মধ্যে ঢাকাসহ ১৪ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কা

দেশের ১৪ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে এই ঝড় হওয়ার আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে সতর্কবার্তা দিয়েছে সংস্থাটি। 

মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া পূর্বাভাস থেকে এ তথ্য জানা গেছে। 

আরো পড়ুন
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব‍্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে যারা

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব‍্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে যারা

 

এত বলা হয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

১০৫ ফ্লাইটে দেশে ফিরলেন ৪৫১৫৮ হাজি, মারা গেছেন ৪৯

অনলাইন ডেস্ক
১০৫ ফ্লাইটে দেশে ফিরলেন ৪৫১৫৮ হাজি, মারা গেছেন ৪৯

হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে এখন পর্যন্ত ১০৫টি ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন ৪৫ হাজার ১৫৮ জন হাজি। দেশটির বিভিন্ন হাসপাতালে মারা গেছেন ৪৯ জন। চিকিৎসাধীন ১১ জন।

মারা যাওয়াদের মধ্যে মক্কায় ৩৫ জন, মদিনায় ১৩ ও জেদ্দায় একজন মারা গেছেন।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ পোর্টালে আইটি হেল্প ডেস্ক প্রকাশিত দৈনিক বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আরো পড়ুন
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

 

হজ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ফেরা ৪৫ হাজার ১৫৮ হাজির মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩ হাজার ৫১১ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪১ হাজার ৬৪৭ জন রয়েছেন। আর ফিরতি যাত্রী পরিবহনে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ১৭ হাজার ৭৫৮ জন, সৌদি এয়ারলাইনস ১৭ হাজার ৩৪৫ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ৭ হাজার ৭০০ জন হাজি পরিবহন করেছে।

এখন পর্যন্ত মোট ১০৫টি ফিরতি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ৪৩টি, সৌদি এয়ারলাইনস ৪৩টি এবং ফ্লাইনাস ১৯টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

আরো পড়ুন
আজ থেকে ফ্লোর প্রাইসমুক্ত হচ্ছে পুঁজিবাজার

আজ থেকে ফ্লোর প্রাইসমুক্ত হচ্ছে পুঁজিবাজার

 

অন্যদিকে, সৌদি আরবে এখন পর্যন্ত ৪৯ জন বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩৩ জন পুরুষ ও ১৬ জন নারী।

এ ছাড়া, সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানীয় হাসপাতালে মোট ৪০১ জন হাজি চিকিৎসা নিয়েছেন। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ১১ জন হাজি।

আরো পড়ুন
বায়ুদূষণে শীর্ষে লাহোর, ঢাকার বাতাসের মান মাঝারি

বায়ুদূষণে শীর্ষে লাহোর, ঢাকার বাতাসের মান মাঝারি

 

এ বছর বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রীর কোটা নির্ধারণ করা হয়। হজযাত্রীদের সৌদি আরবগামী প্রথম ফ্লাইট ছিল ১৮ এপ্রিল এবং শেষ ফ্লাইট ২১ মে। অন্যদিকে ফিরতি ফ্লাইট কার্যক্রম শুরু হয়েছে ৩০ মে থেকে, যা চলবে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত।