kalerkantho

রবিবার । ৪ ডিসেম্বর ২০২২ । ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

সমাবেশের নামে চাঁদাবাজির প্রকল্প হাতে নিয়েছে বিএনপি : তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২ নভেম্বর, ২০২২ ২১:১৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সমাবেশের নামে চাঁদাবাজির প্রকল্প হাতে নিয়েছে বিএনপি : তথ্যমন্ত্রী

বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার কাছ থেকে বিএনপি অর্থ পেয়েছে বলে দাবি করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। আজ বুধবার সচিবালয়ে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার ভিকেন্তিয়েভিচ ম্যানতিতস্কির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ অভিযোগ করেন।

বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশগুলোতে অর্থায়নের উৎস নিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি তো আগেও বলেছি, বিএনপি এই বিভাগীয় সমাবেশের নামে চাঁদাবাজির একটা বড় প্রকল্প নিয়েছে। তারা সমস্ত কালো টাকার মালিকদের কাছ থেকে টাকা কালেকশন করছে, ব্যবসায়ীদের বাধ্য করছে টাকা দেওয়ার জন্য এবং আমি জানতে পেরেছি বিদেশি একটি বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকেও তাদের অর্থায়ন করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

যে গোয়েন্দা সংস্থার কাছ থেকে খালেদা জিয়া টাকা নিয়েছিলেন, সেই গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান সে দেশের আদালতে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে সেই কথা বলেছিলেন। সেই সংস্থার কাছ থেকে তারা এবারও অর্থ পেয়েছে বলে আমি শুনতে পেয়েছি। ’

ভারত থেকে এদিন সকালে ফিরে অফিসে যোগ দেওয়ার পর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী সফর সম্পর্কে বলেন, ‘কলকাতায় চতুর্থ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উৎসব উদ্বোধন করতে গিয়ে অবাক হয়েছি, প্রায় এক কিলোমিটার লম্বা লাইন পড়েছে ‘হাওয়া’ সিনেমা দেখার জন্য। হাওয়ার শো ছিল দুপুর দেড়টায়, দর্শকরা সকাল ৬টা থেকে লাইন দিয়েছে। পরের দিন শোতে দুই হল মিলে আসনসংখ্যা ছিলো ৯০০ আর মানুষ গেছে প্রায় তিন হাজার। সেখানকার দাবির প্রেক্ষিতে শো বাড়াতে হয়েছে। বাংলাদেশের ছবি দেখার জন্য কলকাতায় মানুষের যে উন্মাদনা, সেই উন্মাদনা দিল্লিতেও হয়েছে। দিল্লিতে প্রেস ক্লাব অব ইন্ডিয়ায় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে অনেক বাঙালি সাংবাদিক দিল্লিতে কয়েকটি বাংলাদেশি সিনেমা দেখানোর অনুরোধ জানিয়েছেন। সেটির ব্যবস্থা আমি করতে পেরেছি। ’

বাংলাদেশ ও ভারতের বন্ধুত্বে গণমাধ্যমের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, ‘দুই দেশের মানুষের সৌহার্দ্যের ক্ষেত্রে মূলধারার গণমাধ্যমের একটা বিরাট ভূমিকা রয়েছে। কোনো ধরনের গুজব, ভুল বা অসত্য তথ্য যদি সংবাদ আকারে পরিবেশিত হয়ে দু’দেশের মানুষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি বা আন্তরিকতা নষ্ট করার চেষ্টা করে, এ ক্ষেত্রে জনগণকে সতর্ক থাকতে সাংবাদিকরা ভূমিকা রাখতে পারে। ’ 



সাতদিনের সেরা