kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০২২ । ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

বিশ্ব ডিম দিবস আজ

২৫ হাজার কোটি টাকার বাজার

► মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে ডিম উৎপাদনকারী, ব্যবসায়ী ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার মধ্যে এক ধরনের ঠাণ্ডা যুদ্ধ শুরু হয়েছে ► দাম বাড়লে কম আয়ের মানুষ প্রোটিনজাতীয় খাদ্য গ্রহণ কমিয়ে দিতে পারে। তখন উল্টো খামারিরা বিপদে পড়তে পারেন

সাইদ শাহীন   

১৪ অক্টোবর, ২০২২ ২১:৪৩ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



২৫ হাজার কোটি টাকার বাজার

দেশে বর্তমানে ডিমের বাজার ২৫ হাজার ৬৮৮ কোটি টাকার। এই খাতে যুক্ত আছে ৬০ লাখ লোক। ছোট-বড় মিলিয়ে বিনিয়োগ আছে ৫০ হাজার কোটি টাকার। দেশের মানুষের আমিষের চাহিদার ৬০ শতাংশ আসে মুরগি ও ডিম থেকে।

বিজ্ঞাপন

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছরে দেশে ডিম উৎপাদিত হয়েছে দুই হাজার ৩৩৫ কোটি ৩৫ লাখ পিস। প্রতিটি ডিমের দাম খুচরা পর্যায়ে ১১ টাকা ধরলে ডিমের বাজার দাঁড়ায় ২৫ হাজার ৬৮৮ কোটি টাকা। এবার ডিমের মূল্যবৃদ্ধির কারণে বিশাল এই বাজার সবার দৃষ্টি কেড়েছে। ডিমের উৎপাদন, বিপণন ও বাজারের কার্যকর নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও সামনে এসেছে।

প্রতিবছর অক্টোবরের দ্বিতীয় শুক্রবার বিশ্ব ডিম দিবস পালন করা হয়। প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ, স্বাস্থ্যবান ও মেধাবী জাতি গঠন, সর্বোপরি ডিমের গুণাগুণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ১৯৯৬ সাল থেকে দিবসটি সারা বিশ্বে পালিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশে এ বছরের ডিম দিবসের স্লোগান হচ্ছে ‘প্রতিদিন একটি ডিম, পুষ্টিময় সারা দিন’। দিবসটি যৌথভাবে পালন করছে মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল এবং ওয়ার্ল্ডস পোলট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ শাখা।

ডিমের বাজার অস্থির কেন

পাঁচ বছরের ব্যবধানে ডিমের উৎপাদন ৫১ শতাংশ বৃদ্ধি পেলেও এই সময়ে ডিমের মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় দ্বিগুণ। মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে ডিম উৎপাদনকারী, ব্যবসায়ী ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর মধ্যে এক ধরনের ঠাণ্ডা যুদ্ধ শুরু হয়েছে। উৎপাদনকারী ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে মুরগির খাবার তৈরিতে ব্যবহৃত ২২টি উপকরণের মধ্যে ১৯টির দাম বেড়েছে। এর মধ্যে ১৫টি উপকরণের মূল্য দ্বিগুণ হয়েছে। অন্যদিকে এলসি খরচ ডলারপ্রতি ৯৪ টাকা থেকে ১০৭ টাকা হয়েছে। ফলে বেড়েছে মুরগির খাবারের দাম। বেড়েছে ডিমের উৎপাদন খরচ। মধ্যস্বত্বভোগীদের অতিমুনাফা করার প্রবণতাও এর সঙ্গে আছে।

ডিম উৎপাদকরা জানান, মুরগির খাবারের প্রধান উপকরণ ভুট্টা ও সয়াবিন। দেশে উৎপাদিত ভুট্টায় মাত্র পাঁচ মাস চলা সম্ভব হয়। বাকিটা আমদানি করতে হয়। সেই ভুট্টার দাম ছয় মাসের ব্যবধানে ৫৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্রাজিল থেকে ২৬ টাকা কেজির ভুট্টা এখন ৪০ টাকায় আমদানি করতে হচ্ছে। বেড়েছে সয়া মিলের দামও।

কিন্তু ডিমের দাম সাধারণের মধ্যে হৈচৈ ফেলে দিয়েছে। বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। সংস্থাটির সুপারিশক্রমে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন এরই মধ্যে আইনি পদক্ষেপও নিয়েছে।

তবে এ ধরনের পদক্ষেপ বাজারকে অস্থিতিশীল এবং আস্থাহীনতা তৈরি করবে বলে মনে করছেন ডিম উৎপাদনকারীরা। কাজী ফার্মস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী জাহেদুল হাসান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘যোগসাজশে ডিমের দাম বাড়ানো হয়েছে—এমন অভিযোগ আমাদের দেশে কখনো শোনা যায়নি। কিন্তু এবার ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সে কথাই বলেছে। তারা এক দিনের অভিযানে এর প্রমাণ বের করে ফেলেছে বলে দাবি করছে। কিন্তু তারা যে পদক্ষেপ নিয়েছে, তাতে আসলে বিভ্রান্তি ও অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। ডিম ব্যবসায়ীদের যে ভিত্তিতে জরিমানা করা হয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। ’ তিনি বলেন, ‘গত কয়েক দশক পোলট্রি খাতে অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করছে কাজী ফার্মস। ডিমের বাজারে কম্পানি পর্যায় থেকে কোনো ধরনের অযৌক্তিক দাম নির্ধারণের সুযোগ আমাদের নেই। তবে এটা সত্য, ওই সময়ে মধ্যস্বত্বভোগীরা কিছুটা সুবিধা নিয়েছে। কিন্তু কম্পানি পর্যায়ে আমরা উৎপাদনকারীরা ডিমের সরবরাহ আরো বাড়ানোর চেষ্টা করছি। ’

উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা জানান, প্রথাগতভাবে উৎপাদন পর্যায়ে ০.৫ শতাংশ ডিম নষ্ট হয়। আবার পরিবহন ও বিপণনের বিভিন্ন পর্যায়ে ১.৫ থেকে ৩ শতাংশ পর্যন্ত নষ্ট হয়। এর সঙ্গে জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির পর হঠাৎ করে পরিবহন খরচ বেড়ে যায়। তা-ও এসে যুক্ত হচ্ছে ডিমের দামের সঙ্গে। এখন বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জেনারেটর চালাতে হয় বড় ফার্মগুলোতে। তাতেও বাড়ছে খরচ। সব কিছু শেষ পর্যন্ত গিয়ে পড়ছে ভোক্তার ঘাড়ে।

স্বাস্থ্যবিষয়ক জনসচেতনতা এবং আর্থিক সচ্ছলতা বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশে ডিমের চাহিদা বেড়েছে। সম্প্রতি অন্যান্য আমিষজাতীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণেও ডিমের চাহিদা বাড়ছে। তবে মুরগির খাবারের উচ্চমূল্য, বিপণন দুর্বলতা, কম উৎপাদনশীলতা, খামার পর্যায়ে ডিমের কম দাম ও রোগবালাইয়ের প্রাদুর্ভাবের কারণে বাংলাদেশের ডিমশিল্প কিছুটা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

সারা দেশের খামারিরা যে দামে ডিম বিক্রি করে থাকেন, সেটির তথ্য সংরক্ষণ করে থাকে জাতীয় খামার রক্ষা পরিষদ ও বাংলাদেশ পোলট্রি প্রফেশনাল। প্রতিষ্ঠান দুটি বলছে, কয়েক মাস ধরেই বাড়ছে ডিমের দাম। তবে খামার পর্যায়ে যতটুকু বৃদ্ধি পাচ্ছে, তার তুলনায় বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে খুচরা ও ভোক্তা পর্যায়ে। চলতি বছরের আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রতি ১০০ ডিমের দাম ছিল ৮৯২ টাকা। দ্বিতীয় সপ্তাহে ৯৮১ টাকা, তৃতীয় সপ্তাহে এক হাজার ৮৩ টাকা। প্রতিটি ডিম এই সময়ে ৯ থেকে ১০ টাকার মধ্যে বিক্রি করেছেন খামারিরা। কিন্তু সেই ডিম গড়ে ভোক্তা পর্যায়ে বিক্রি হয়েছে ১৩ থেকে ১৭ টাকায়। চলতি মাসেও ডিমের দাম ভোক্তা পর্যায়ে বেশ চড়া রয়েছে, যদিও এসব ডিম কভিডের আগে ভোক্তারা ১০ টাকার নিচেই কিনতে পেরেছে। পাঁচ বছর আগে ভোক্তা পর্যায়ে ডিমের দাম ছিল পাঁচ থেকে সাত টাকা। ফলে ব্যবধানে ডিমের দাম এখন প্রায় দ্বিগুণ।

এ বিষয়ে কৃষি অর্থনীতিবিদ জাহাঙ্গীর আলম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘তথ্যগত ত্রুটিবিচ্যুতি থাকলেও এখন আমরা ডিমে স্বয়ংসম্পূর্ণ। আমদানিনির্ভরতা থেকে স্বয়ম্ভরতার এই অর্জনে খামারি, উদ্যোক্তাসহ সরকারের নীতির সমন্বিত উদ্যোগ ছিল। তবে প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধির সুফল হলো সেই পণ্যের প্রতি ইউনিট মূল্য ক্রমে কমে আসবে। ফলে বিক্রয়মূল্য কমার মাধ্যমে ক্রেতারা কম দামে পণ্য পাবে। ’

তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে প্রোটিনজাতীয় বেশ কিছু পণ্যের উৎপাদনে বেশ সফলতা এসেছে। কিন্তু ইউনিটপ্রতি বিক্রয়মূল্য কমেনি। কিছু ক্ষেত্রে, বিশেষ করে ডিমের ক্ষেত্রে উল্টো বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে দেশের সাধারণ মানুষের বা ভোক্তাদের ক্রয় সক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। এতে কম আয়ের মানুষ প্রোটিনজাতীয় খাদ্য গ্রহণ কমিয়ে দিতে পারে। তখন উল্টো খামারিরা বিপদে পড়তে পারেন। এই পরিস্থিতিতে ডিমের বাজার আরো সম্প্রসারণ করতে খামারিদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে উৎপাদন খরচ কমিয়ে আনতে হবে। সেখানে সরকারি পর্যায়ে সহযোগিতা প্রয়োজন, তেমনি খামারি ও বাজার ব্যবস্থাপনায় আরো দক্ষতা আনতে হবে। সব মিলিয়ে এ খাতের জন্য পোলট্রি উন্নয়ন বোর্ড গঠন করা জরুরি হয়ে পড়েছে, যার মাধ্যমে সব ধরনের নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হবে। ’

নিয়ন্ত্রণহীন ডিমের বাজার

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পরপরই চলতি বছরের আগস্ট মাসে প্রতি ডজন ডিমের দাম ১৫০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। পোলট্রি খামারি অ্যাসোসিয়েশন অভিযোগ করে, কৃত্রিম সংকট তৈরি করে মাত্র ১৫ দিনে প্রায় ৫১৮ কোটি টাকার বেশি বাড়তি মুনাফা করেছে দেশের বড় কয়েকটি কম্পানি। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বাজার অভিযান পরিচালনা করে। সেই অভিযানের পর সেপ্টেম্বরে ডিমের দাম ১১৫ থেকে ১২০ টাকায় নেমে আসে। এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে প্রদান করে সংস্থাটি। সেখানে উল্লেখ করা হয়, ডিমের বাজারে কারসাজির সঙ্গে জড়িত রয়েছে দেশের বড় ডিম উৎপাদনকারী কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।

ডিমের দাম নির্ধারণ করে কে?

১৮ আগস্ট ডিমের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণ অনুসন্ধানে তেজগাঁও ডিমের আড়তে অভিযান পরিচালনা করে দেখা যায়, ডিমের ক্রয়মূল্যের ওপর ভিত্তি করে পাইকারি ব্যবসায়ীরা বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করেন না। এই বিক্রয়মূল্য তেজগাঁও ডিম ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতি নির্ধারণ করে। এরপর তা মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে সারা দেশে জানিয়ে দেওয়া হয়। এ ছাড়া ব্যবসায়ীরা ডিমের ক্রয় ভাউচার, মূল্যতালিকা ও বিক্রয় রসিদ সংরক্ষণ করেন না। ক্রয়মূল্যের ওপর ভিত্তি করে বিক্রয়মূল্যও নির্ধারণ করেন না। স্বাভাবিক সময়ে পাইকারি ব্যবসায়ীরা প্রতিটি ডিম ১৫ থেকে ২০ পয়সা লাভে বিক্রি করলেও ৯ থেকে ১৩ আগস্ট ব্যবসায়ীরা প্রায় ২.৭০ টাকা লাভে ডিম বিক্রি করেছেন।

উৎপাদনে শীর্ষ দেশ

২০২১ সালে বিশ্বে ডিম উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১১তম। তবে ডিম ভোগে বাংলাদেশের অবস্থান নবম। বিশ্বে ডিম উৎপাদনে শীর্ষে রয়েছে চীন। এর পরই শীর্ষ দশের অন্য দেশগুলো যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্র, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, মেক্সিকো, ব্রাজিল, রাশিয়া, জাপান, তুরস্ক ও পাকিস্তান। তবে বছরে জনপ্রতি ডিম উৎপাদনে শীর্ষে রয়েছে চীন।

২০১৯ সালে দেশটির জনপ্রতি ডিম উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৪৭৩টি। এর পরই মেক্সিকোর ৪৩৬টি, ইন্দোনেশিয়ার ৩৯০টি, জাপানের ৩৪৮টি, যুক্তরাষ্ট্রের ৩৪৫টি, রাশিয়ার ৩০৮টি, ব্রাজিলের ২৬৩টি ও তুরস্কের ২৪০টি। ভারত ও পাকিস্তানের মানুষের জনপ্রতি ডিম উৎপাদনের পরিমাণ ১০০টির কম।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের (বিপিআইসিসি) সভাপতি মশিউর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, গত এক দশকের ব্যবধানে ডিম উৎপাদনে সফলতা দেখিয়েছেন দেশের খামারিরা। উৎপাদন বাড়ানোর ক্ষেত্রে বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতা ছিল। দেশে ডিমের স্বয়ংসম্পূর্ণতায় খামারি থেকে শুরু করে এ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অবদানকে স্বীকৃতি দিতে হবে।

মশিউর রহমান বলেন, অবেহেলিত খাতটি টেকসই করতে হলে আরো সুবিধা বাড়ানো প্রয়োজন। ডিম উৎপাদনে খামারিদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বিপণন কৌশল ও বাজারের সঙ্গে তাঁদের সংযোগ বাড়াতে হবে। তিনি বলেন, পোলট্রি খাতে একক কোনো নিয়ন্ত্রক বা তদারকি সংস্থা না থাকায় এর বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। খামারি ও উদ্যোক্তাদের বিশেষ পরিস্থিতিতে কী ধরনের সুবিধা দিতে হবে, সেটি দেখার জন্য নির্দিষ্ট কেউ না থাকায় বিপাকে পড়তে হয়। ডিমসহ পোলট্রি খাতের উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি রাজস্ব ও নীতি সহায়তা এবং জাতীয় পোলট্রি কমিশন গঠন এখন জরুরি।



সাতদিনের সেরা