kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

ঢাবিতে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ২২:১৪ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ঢাবিতে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপন

ঢাবিতে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপন। ছবি- কালের কণ্ঠ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালন করা হয়েছে।  'রিথিংকিং ট্যুরিজম’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দিবসটি উদযাপন করা হয়।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্যায় শিক্ষা অনুষদ প্রাঙ্গণে ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের উদ্যোগে এই দিবস উদযাপন করা হয়।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কেক কেটে ও পায়রা উড়িয়ে বিভিন্ন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

বিজ্ঞাপন

পরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি র‌্যালী বের করা হয়।

ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান ড. সন্তোষ কুমার দেবের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রাণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. অলিউল্লাহ, প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. আমিনুর রহমান ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের কো-অর্ডিনেটর ও এক্সিকিউটিভ এমবিএ ড. মো. শরিফুল আলম খন্দকার, হোটেল শেরাটন ঢাকা ও ওয়েষ্টিন ঢাকা এর সিইও সাখাওয়াত হোসাইন ও ট্যুরিজম ডেভেলপার। অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের সভাপতি সৈয়দ হাবিব আলী। অনুষ্ঠানের আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সামশাদ নওরীণ।

সভাপতির বক্তব্যে বিভাগের চেয়ারম্যান ড. সন্তোষ কুমার দেব বলেন, 'সারা বিশ্বে আজ যেমন যথাযোগ্য মর্যাদায় এই বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত হচ্ছে, ঠিক তেমনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগও এ দিবস উদযাপন করছে। '

তিনি বলেন, 'আমরা দেখেছি, করোনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এই পর্যটন শিল্প। আমরা যদি পূর্বের অবস্থানে ফিরতে চাই তাহলে আমাদেরকে নতুনভাবে ভাবতে হবে। এই নতুন ভাবনাটা কী? আমরা বলছি, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার যে লক্ষ্যগুলো রয়েছে তার মধ্যকার ৩টি লক্ষ্যমাত্রা সরাসরি পর্যটন শিল্পের সাথে সম্পৃক্ত। আমরা এই ৩টি লক্ষ্য বাস্তবায়নে জোর দেওয়ার কথাই বলছি। '

ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগকে ধন্যবাদ জানিয়ে ও ইন্ডাস্ট্রির চাহিদা মোতাবেক কারিকুলাম পুনর্বিন্যাস করার পরামর্শ দিয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, "আপনাদের কারিকুলামে কিছু ঘাটতি আছে বলে আমার মনে হয়। নানা অনুসঙ্গের সংযোজন ঘটিয়ে কারিকুলাম পুনর্বিন্যাস করা খুব জরুরি। যাতে বাস্তবধর্মী, জীবনমুখী সকল বিষয়ে ধারণা পেয়ে শিক্ষার্থীরা কর্মজীবনে প্রবেশ করে। এটি না করলে 'রিথিংকিং ট্যুরিজম' হবে না। "

তিনি আরো বলেন, 'পরিবর্তিত পরিস্থিতি কিভাবে গুণগত মান সম্পন্ন একটি উন্নত পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটানো যায় সেটা সম্ভব হবে না যদি না যুগের চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য রেখে আমাদের শিক্ষার্থীকে গড়ে তুলতে না পারি। "



সাতদিনের সেরা