kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০২২ । ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

২৮ বছরেও গ্রেড বদলায়নি থানা সহকারী শিক্ষা অফিসারদের

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ২১:১৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



২৮ বছরেও গ্রেড বদলায়নি থানা সহকারী শিক্ষা অফিসারদের

সারাদেশে সরকারি প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গ্রেড পরিবর্তন হলেও দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে গ্রেড বদলায়নি উপজেলা বা থানা সহকারী শিক্ষা অফিসারদের (এইউইও/এটিইও)। শুধু গ্রেড নয়, পদোন্নতির সুযোগও সীমিত করায় হতাশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা। বর্তমানে সারাদেশে এ পদে কর্মরত আছেন ২ হাজার ৬০১ জন কর্মকর্তা |

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ১৯৯৪ সালে এই পদটি ১০ম গ্রেডে উন্নীত করা হয়। সেসময় অধনস্ত প্রধান শিক্ষক পদ ছিল ১৪তম গ্রেড এবং সহকারী শিক্ষক পদটি ছিল ১৮তম গ্রেড।

বিজ্ঞাপন

প্রধান শিক্ষকের পদ তিন দফায় উন্নীত করে ২০১৪ সালে ১১তম এবং সহকারী শিক্ষক পদটি চার দফায় উন্নীত করে ২০২০ সালে ১৩তম গ্রেডভুক্ত করা হয়।

এসময় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, পিটিআই সুপারিনটেনডেন্ট পদগুলো ৯ম গ্রেড থেকে ষষ্ঠ গ্রেডে উন্নীত করা হয়। পিটিআই ইন্সট্রাক্টর পদটিও তৃতীয় শ্রেণি থেকে ৯ম গ্রেডে উন্নীত করা হয়েছে। তবে দীর্ঘ ২৮ বছরে সহকারী উপজেলা বা থানা শিক্ষা অফিসার পদটি ১০ম গ্রেড থেকে উন্নীত করা হয়নি।

কর্মকর্তাদের অভিযোগ, সহকারী শিক্ষা অফিসার এবং শিক্ষা অফিসার নিয়োগের যোগ্যতা ও পদ্ধতি একই । তারপরও পদোন্নতির সুযোগ বঞ্চিত সহকারী শিক্ষা অফিসাররা। ১৯৯৫ সালের নিয়োগবিধি অনুযায়ী সহকারী উপজেলা বা থানা শিক্ষা অফিসার থেকে উপজেলা বা থানা শিক্ষা অফিসার পদে পদোন্নতির সুযোগ ছিল ৫০ শতাংশ। তবে ১৯৯৪ সালে তা কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়।  

বাংলাদেশ সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, 'সহাকারী শিক্ষা অফিসাররা বিভিন্ন কাজ করে থাকেন। তাদের অধীনে প্রায় ৩০ জন প্রধান শিক্ষক এবং ১৬০ থেকে ২০০ জন সহকারী শিক্ষকও থাকেন। এসকল শিক্ষকদের ছুটি মঞ্জুর, অ্যাকাডেমিক তত্ত্বাবধান, মনিটরিং ও মেন্টরিংয়ে সার্বিক সহযোগিতায় বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়। তাই সহকারী শিক্ষা অফিসারদের ৯ম গ্রেড বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি। '

গ্রেড ও পদোন্নতির দাবিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতেও স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।



সাতদিনের সেরা