kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১ ডিসেম্বর ২০২২ । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ ।  ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

সেই ৮৫ নির্বাচন কর্মকর্তার পুনর্বহালের আদেশ বাতিল

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ২১:০৫ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সেই ৮৫ নির্বাচন কর্মকর্তার পুনর্বহালের আদেশ বাতিল

২০০৫ সালে চার দলীয় জোট সরকারের সময় নিয়োগ পাওয়া এবং ২০০৭ সালে তত্বাবধায়ক সরকারের সময় পুনর্মূল্যায়ন পরীক্ষার পর নিয়োগ বাতিল হওয়া সেই ৮৫ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে পুনবর্হালের আদেশ বাতিল করল নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের এক আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১০ সালের ওই কর্মকর্তাদের চাকরি পুনর্বহালের প্রজ্ঞাপনও জারি করে ইসি। কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষ ওই আদেশে বিরুদ্ধে আপিল করলে তা স্থগিত হয়ে যায়। এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর ২০১০ সালের সেই প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের আদেশ বাতিল করে রায় দেন সর্বোচ্চ আদালত।

বিজ্ঞাপন

 নির্বাচন কমিশন সর্বোচ্চ আদালতের রায় কার্যকর করতেই ওই ৮৫ জন কর্মকর্তার পুনবর্হালের আদেশ বাতিল করতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

গতকাল সোমবার কমিশনের জনবল ব্যবস্থাপনা শাখার সহকারী সচিব মোহাম্মদ শহীদুর রহমানের সই করা প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয় মাননীয় আপিল বিভাগের সিভিল আপিল নং ২১/২০১১, ২২/২০১১, ২৩/২০১১ ও ২৪/২০১১ এর ০১-০৯-২০২২ তারিখের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে চাকরিচ্যুত ৮৫ জন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার গত  ১৩ মে ২০১০ তারিখে জারি করা  প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে চাকরিতে পুনর্বহালের আদেশটি বাতিল করা হল। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

প্রজ্ঞাপনের অনুলিপি মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়েরর সিনিয়র সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব, চিফ একাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

২০০৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে ৩২৭ জনকে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে অস্থায়ীভাবে নির্বাচিত করা হয়। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ের এই নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক ওঠার পর ২০০৭ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে ৩২৭ জনের মূল্যায়ন পরীক্ষা নেওয়া হয়। তাদের মধ্যে ৮৫ জনকে ওই বছরের ৩ সেপ্টেম্বর চাকরিচ্যুত করা হয়। চাকরিচ্যুতরা আদালতে গেলে প্রশাসনিক আপিল ট্রাাইব্যুনাল ২০১০ সালে ১২ এপ্রিল  নির্বাচন কমিশনকে তাদের পুনর্বহালের আদেশ দেয়। আদেশ বলে নির্বাচন কমিশন ২০১০ সালের ১৩ মে ৮৫ কর্মকর্তাকে চাকরিতে পুনর্বহাল করে প্রজ্ঞাপান জারি করে।

কিন্তু প্রশাসনিক আপিল ট্রাাইব্যুনালের ওই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ চারটি লিভ টু আপিল করে। পরবর্তীতে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারক ২০১০ সালের ২৯ এপ্রিল আপিল ট্রাইব্যুনালের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করেন এবং আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে বিষয়টি শুনানির জন্য পাঠান। এরপর ২০১১ সালে রাষ্ট্রপক্ষ পৃথক আপিল করে। শুনানির পর গত ১ সেপ্টেম্বর প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের আদেশ বাতিল করে রায় দেন সর্বোচ্চ আদালত।  



সাতদিনের সেরা