kalerkantho

বুধবার । ৭ ডিসেম্বর ২০২২ । ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

আওয়ামী লীগ জামায়াতের ফাঁদে পড়েছে : টুকু

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ২০:১০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আওয়ামী লীগ জামায়াতের ফাঁদে পড়েছে : টুকু

রাজধানীর হাজারীবাগে সমাবেশ শুরুর আগে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে মারামারি হয়েছে। পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার মধ্যে দুই পক্ষের কয়েকজন আহত হন। এদিন সমাবেশে বাধা দিতে এসে আওয়ামী লীগ কর্মীরা মারধরের শিকার হন বেশি।

জ্বালানি তেলসহ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং দলের চার নেতাকর্মীকে হত্যার প্রতিবাদে রাজধানী ঢাকার ১৬টি স্থানে সমাবেশের অংশ হিসেবে আজ সোমবার হাজারীবাগে সমাবেশ হয়।

বিজ্ঞাপন

ধানমণ্ডির শংকর বাসস্ট্যান্ডে সমাবেশ হওয়ার কথা থাকলেও একই স্থানে আওয়ামী লীগও সমাবশে ডাকে। দুই দল পাল্টাপাল্টি সমাবেশ ডাকায় পুলিশ কাউকে সমাবেশ করতে দেয়নি। পরে শিকদার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পাশে সমাবেশ করে বিএনপি। ঢাকা মহানগর দক্ষিণের লালবাগ, হাজারীবাগ, নিউ মার্কেট, ধানমণ্ডি থানা বিএনপির উদ্যোগে এ সমাবেশ হয়।

সমাবেশকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই ধানমণ্ডি, হাজারীবাগ এলাকায় উত্তেজনা ছিল। বাঁশ ও লাঠিসোঁটা হাতে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা মোড়ে মোড়ে অবস্থান নেন। বিএনপি নেতাকর্মীরা জাতীয় পতাকা মোড়ানো লাঠি হাতে সমাবেশে যোগ দেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর পৌনে ২টার দিকে বিএনপির কর্মী-সমর্থকরা লাঠি হাতে মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে যাওয়ার পথে আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকরা বাধা দেয়। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ বাধে। পাল্টাপাল্টি বেশ কয়েকজন কর্মীকে বেধড়ক লাঠিপেটা করতে দেখা যায়। কয়েক মিনিটের মধ্যে উভয় পক্ষ দুই দিকে সরে গেলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

সমাবেশস্থলে বেসরকারি টেলিভিশনের দুই সাংবাদিক হামলার শিকার হন। বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করলেন, আপনি তাদের বেআইনি ঘোষণা করলেন না কেন? তার অর্থ- আওয়ামী লীগ জামায়াতের ফাঁদে পড়েছে।

বিএনপির কর্মীদের হাতে একজন সংবাদকর্মী আহত হওয়ার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চান ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালাম।

সমাবেশ করতে পারায় পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়ে টুকু বলেন, ‘পুলিশ যদি আমাদের জনগণের কষ্টার্জিত টাকায় বেতনভুক্ত না হয়ে ওদের দলীয় কর্মী হতো তাহলে আমরা এখানে সভা করতে পারতাম না। এ জন্য আমি পুলিশ ভাইদের ধন্যবাদ জানাই। ’

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, বিএনপির কর্মীদের মারতে মারতে এমন একটা জায়গায় নিয়ে গেছেন, তারা আত্মরক্ষার জন্য লাঠি হাতে নিয়েছে।

মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় নেতা শাহজাহান ওমর, আবদুল খায়ের ভূঁইয়া, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, মীর সরাফত আলী সপু, রফিকুল আলম মজনু প্রমুখ।



সাতদিনের সেরা