kalerkantho

বুধবার । ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১৩ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

অন্যান্য দেশের চেয়ে বাংলাদেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভাল : তাজুল

অনলাইন ডেস্ক   

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ২১:৩৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



অন্যান্য দেশের চেয়ে বাংলাদেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভাল : তাজুল

সচিবালয়ে মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে আন্ত:মন্ত্রণালয়ের সভা।

'আমাদের দেশে বিশ্বের অনেক দেশের চেয়ে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা কম রয়েছে। এডিস মশাবাহিত এই রোগ মোকাবেলায় সরকারের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ও সচেতনতা এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। ' আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম সচিবালয়ের এক সভায় এসব কথা বলেছেন।

সচিবালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত সারাদেশে মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সিটি কর্পোরেশন ও অন্যান্য মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর ও সংস্থার কার্যক্রম পর্যালোচনার লক্ষ্যে আয়োজিত আন্ত:মন্ত্রণালয়ের এক সভায় সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, 'এডিস বা ডেঙ্গু নিয়ে ২০১৯ সালে আমাদের তিক্ত অভিজ্ঞতা থাকলেও গত তিন বছর আমাদের পাশ্ববর্তী দেশগুলোর তুলনায় আমরা এই রোগ প্রতিরোধে সফলতা অর্জন করেছি। কিন্তু আমরা আমাদের কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারিনি। বর্তমানে আবার এডিস মশার প্রাদুর্ভাব বেড়েছে। একই সঙ্গে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যাও বেড়েছে। তবে আমরা এশিয়ার অনেক দেশের তুলনায় অনেক ভালো আছি। '

তিনি আরো বলেন, '২০১৯ সালের পর আমরা ক্লাস্টার ভিত্তিক অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেই। এরপর প্রতিটা ওয়ার্ডকে ১০ জোনে ভাগ করে কাউন্সিলরকে প্রধান করে কমিটি করে দিয়েছি। ওইসব এলাকায় কি পরিমাণ মশা নিধনের জন্য ওষুধ লাগবে তা নির্ণয় করে তা আমদানি করা বা মজুদ করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ' 

জনবল সংকটের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'এই সংকট মোকাবেলায় আমরা একদিনে তিন হাজার জনবল নিয়োগ দিয়েছি। যেখানে ফগার মেশিন ছিলো না সেখানে কেনার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে টাকা দেয়া হয়েছে। '

এছাড়া মশা নিধনের প্রতিশেধক আমদানিতে সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করা হয়েছে।

সিটি কর্পোরেশনের সাম্প্রতিক উচ্ছেদ অভিযান সম্পর্কে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, 'সিটি কর্পোরেশনগুলো মানুষের জন্য কল্যাণকর কাজ করে থাকে। নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করাই সিটি কর্পোরেশনের কাজ। ' 

এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, কোনো কাজের মাধ্যমে যদি মানুষ হয়রানির শিকার হয় তা সমাধান করা মেয়রের দায়িত্ব। হকাররা হাঁটা চলার পথ এবং রাস্তার ওপরে দোকান বসায় এটা সমর্থনযোগ্য নয়। এজন্য মেয়রদ্বয় এসব বিষয়ে উদ্যোগ নিচ্ছেন।

সভায় দক্ষিণ সিটি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, উত্তর সিটি মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী, পূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব শহীদ উল্লাহ খন্দকার, ওযাসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খানসহ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, সিটি করপোরেশন, বিভাগ ও সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।



সাতদিনের সেরা