kalerkantho

শনিবার । ১ অক্টোবর ২০২২ । ১৬ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

আলোচনার টেবিলে দুই লাখ ইভিএম কেনার প্রকল্প

বিশেষ প্রতিনিধি    

১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০৩:০৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আলোচনার টেবিলে দুই লাখ ইভিএম কেনার প্রকল্প

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) নতুন প্রকল্পের প্রস্তাব আজ মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সভায় তোলা হবে। সভায় এ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হতে পারে। ইসির সভায় প্রস্তাব অনুমোদিত হলে তা পরিকল্পনা কমিশনে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।

ইসি সূত্র জানায়, আগামী সংসদ নির্বাচনের জন্য আরো দুই লাখ ইভিএম কেনার লক্ষ্য নিয়ে আট হাজার কোটি টাকার এ প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আগামী নির্বাচনে ১৫০ আসনে ইভিএম ব্যবহারের জন্যই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রাজধানীতে নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে আজ সকাল ১১টায় এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালসহ অন্য নির্বাচন কমিশনার এবং ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ গতকাল সোমবার  কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের আজকের সভার আলোচ্যসূচিতে অন্যতম বিষয় রাখা হয়েছে ইভিএমের নতুন প্রকল্প প্রস্তাব। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ১৫০ আসনে ইভিএমে ভোট নিতে হলে এই প্রকল্পের বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ’

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে অংশ নেওয়া বেশির ভাগ দল ইভিএমের বিপক্ষে মত দেয়। এর পরও আগামী সংসদ নির্বাচনে সর্বোচ্চ ১৫০ আসনে ইভিএমে ভোট করার সিদ্ধান্ত নেয় ইসি। বর্তমানে কমিশনের হাতে দেড় লাখের মতো ইভিএম আছে। এসব ইভিএমের মধ্যে কিছু অকেজো বা অকেজো হওয়ার পথে। এ কারণে ১৫০ আসনে ইভিএমে ভোট করতে হলে আরো প্রায় দুই লাখ ইভিএম প্রয়োজন হবে। এর আগে যে দেড় লাখ ইভিএম কেনা হয়েছিল, সেই প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছিল তিন হাজার ৮২৫ কোটি টাকা। এবার ব্যয় আরো বাড়বে।

এ বিষয়ে ইভিএম প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আগেই জানিয়েছেন, ইসি সচিবালয় থেকে একটি উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রস্তুত করেছেন। ইসি যাতে নিজস্ব জনবল ও সক্ষমতায় ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ, ইভিএম সংরক্ষণ করতে পারে, সে ব্যবস্থাও প্রকল্প প্রস্তাবে থাকছে। এ জন্য প্রশিক্ষিত জনবল ও ওয়্যারহাউসের প্রয়োজন হবে। আগের দেড় লাখ এবং নতুন প্রকল্পে কেনা হবে দুই লাখ—সব মিলে সাড়ে তিন লাখ ইভিএম ইসির হাতে থাকবে। ইভিএম সংরক্ষণ করতে ১০টি ওয়্যারহাউস নির্মাণের প্রাথমিক চিন্তা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ডলারের বাড়তি দাম, জনবল প্রশিক্ষণ এবং ইভিএম সংরক্ষণের জন্য ওয়্যারহাউস নির্মাণ করতে মোট ব্যয় আগের প্রকল্পের চেয়ে অনেক বেড়ে যাবে। আগে প্রতিটি ইভিএমে সব মিলে ব্যয় হয়েছিল দুই লাখ ৩৪ হাজার টাকা। এবার ওই মূল্যে ইভিএম পাওয়া যাবে না।

এসব বিষয়ে অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ বলেন, দুই লাখ ইভিএম কিনতে হবে। এ প্রকল্পে কত ব্যয় হবে এবং কত টাকার প্রকল্প হবে, তা এখনই বলা সম্ভব নয়। কমিশন সভায় প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে। কমিশন সব দিক বিচার-বিবেচনায় নিয়ে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।



সাতদিনের সেরা