kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১২ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৩০ সফর ১৪৪৪

জামিনে বেরিয়ে হত্যার হুমকি!

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ আগস্ট, ২০২২ ২১:৪৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



জামিনে বেরিয়ে হত্যার হুমকি!

প্রতীকী ছবি

রাজশাহীর পুঠিয়ার কান্দ্রা দুদুর মোড়ের বাসিন্দা মাসুমা সুলতানার পরিবার চাঁদাবাজির মামলা করে এখন হত্যার হুমকি পেয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, তাদের বাড়ির পাশে একটি জমির আইলে ইসাহাক আলী জোরপূর্বক গাছ লাগিয়ে দখল নিতে চান। মাসুমা সুলতানার স্বামী মিজানুর রহমান এতে বাধা দিতে যাওয়া নিয়ে হুমকি-ধমকি দিতে থাকে স্থানীয় দুর্বৃত্তরা।

এসব তথ্য জানিয়ে মাসুমা সুলতানা দাবি করেন, যেকোনো মুহূর্তে প্রতিপক্ষ তাদের হত্যা করতে পারে।

বিজ্ঞাপন

এ ঘটনায় তিনি স্থানীয় থানা পুলিশের পাশাপাশি র‍্যাবের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

পারিবারিক সূত্র জানায়, গত ১ জুলাই মিজানুর রহমান তার জমিতে গেলে ইসাহাক, তার ছেলে তানভির রোমান হৃদয় এবং মোজাহার মোল্লা মিজানুর রহমান বেদম মারধর করেন। পরে মিজানুর রহমানকে উদ্ধার করে স্থানীয় পুঠিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় মিজানুর রহমানের স্ত্রী মাসুমা সুলতানা সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর আদালতে আসামিরা আত্মসমর্পণ করলে আদালত ইসাহাক ও মোজাহার মোল্লার জামিন দেন এবং হৃদয়কে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে জামিন পেয়ে হৃদয় ও তার সহযোগীরা মিলে আবারও মিজানুর রহমানের ওপর হামলা করেন। পাশাপাশি চাঁদা দাবি করেন তারা। এ ঘটনায় আবারও সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে ভুক্তভোগীর পরিবার। এ মামলায় হৃদয় আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাকে জামিন দেন।

এদিকে ভুক্তভোগী অন্তঃসত্ত্বা মাসুমা সুলতানা অভিযোগ করেন, জামিনে আসার পর প্রতিপক্ষরা নানা ধরনের হুমকি অব্যাহত রেখেছে। এ ঘটনায় তারা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও র‍্যাবে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

তার অভিযোগ, তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। দুর্বৃত্তরা তার ছেলে-মেয়েকে টার্গেট করে নানা ধরনের হুমকি-ধমকি দিয়ে যাচ্ছে। যেকোনো মুহূর্তে তারা পরিবারের বড় ধরনের ক্ষতি  করতে পারে। এ নিয়ে পুরো পরিবার চরম আতঙ্কের মধ্যে আছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, হুমকিদাতারা এলাকায় সংঘবদ্ধভাবে আতঙ্ক গড়ে তুলেছে। এলাকায় চাঁদাবাজি, হত্যাচেষ্টা, মানুষের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া, জমি দখলসহ ছিনতাইয়ের মতো অপরাধে জড়িত।

এদিকে এ বিষয়ে পুঠিয়া থানার ওসি সোহরাওয়ার্দী হোসেন বলেন, এ ঘটনায় দুটি মামলা হয়েছে। মামলার আসামিরা জামিনে আছে। যদি আসামিরা আবারও এ ধরনের কার্যকালাপ করে তবে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘ওই পরিবারের খোঁজখবর আমরা রাখছি। পাশাপাশি আসামি হৃদয়কেও নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে। ’



সাতদিনের সেরা