kalerkantho

শনিবার । ১ অক্টোবর ২০২২ । ১৬ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

এরদোয়ানকে নিয়ে উভয়সংকটে পশ্চিমা জগৎ

গাজীউল হাসান খান

১৯ আগস্ট, ২০২২ ০৪:১০ | পড়া যাবে ৮ মিনিটে



এরদোয়ানকে নিয়ে উভয়সংকটে পশ্চিমা জগৎ

ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ সমগ্র পশ্চিমা জগতের কাছে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ান এখন আর্থ-রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক দিক থেকে রীতিমতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টরে পরিণত হয়েছেন। তাঁর বিভিন্ন পদক্ষেপ কিংবা কর্মকাণ্ডের প্রতি আস্থা না রাখা যেমন বিপদের, তেমনি তাঁকে সম্পূর্ণ ‘মুক্তহস্ত’ করে ছেড়ে দিলেও শেষ পর্যন্ত সামলানো যাবে কি না, সেটা নিয়ে তাদের মধ্যে বিভিন্ন দ্বিধাদ্বন্দ্ব ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক বাহিনীর অধিকারী হওয়া সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র শেষ পর্যন্ত তুরস্ককে তার পঞ্চম প্রজন্মের স্টিলথ সুপারসনিক যুদ্ধবিমান এফ-৩৫ প্রজেক্টে স্থান দেয়নি। প্রয়োজনীয় অর্থ পরিশোধ করা সত্ত্বেও এফ-১৬ সিঙ্গল ইঞ্জিন ফাইটার সরবরাহের বিষয়টি ঝুলিয়ে রেখেছে চরম অনিশ্চয়তায়।

বিজ্ঞাপন

তুরস্কের কাছে যুক্তরাষ্ট্র তার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিক্রি করেনি বলেই তুরস্ক শেষ পর্যন্ত রাশিয়া থেকে এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা খরিদ করেছে, যা যুক্তরাষ্ট্র পছন্দ করেনি।
যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সামরিক বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় ইহুদিবাদী রাষ্ট্র ইসরায়েলের পরামর্শে। ইসরায়েল তুরস্ককে বিশ্বাস করে না বিভিন্ন কারণে। এর প্রথমটি হচ্ছে তুরস্ক ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম রাষ্ট্র। তার ওপর ফিলিস্তিনের মুক্তির প্রশ্নে তুরস্ক আপসহীন। এ ছাড়া এই সেদিনও তুরস্কের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক ছিল অনেকটাই বৈরী। সেসব কারণে ইহুদিবাদী রাষ্ট্র ইসরায়েলের প্রধান অভিভাবক যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটোর সদস্য হওয়া সত্ত্বেও তুরস্ককে বিশ্বাস করতে পারছে না। অন্যদিকে ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যে একমাত্র ইহুদি রাষ্ট্র এবং ন্যাটোর সদস্য না হয়েও সব সময় পাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশ্নাতীত সমর্থন। এর প্রধান একটি কারণ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস থেকে শুরু করে প্রশাসনে ইহুদি ধর্মাবলম্বীদের অসামান্য প্রভাব। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী মাত্র সাড়ে ছয় মিলিয়ন ইহুদি নাগরিক যেন অর্থবিত্ত ও প্রভাব-প্রতিপত্তি দিয়ে সমগ্র দেশটিকে আগলে রেখেছে। তাদের সমর্থন ছাড়া কারো পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়াও সহজ নয়।

ইয়েমেনে ইরান সমর্থিত হুতি গেরিলাদের আক্রমণের হাত থেকে বাঁচার জন্য সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত সম্প্রতি ইহুদিবাদী ইসরায়েলের সঙ্গে তাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নত করেছে অবিশ্বাস্যভাবে। সে লক্ষ্যে নিয়ম করেই তারা নিচ্ছে বিভিন্ন সামরিক ও অর্থনৈতিক কর্মসূচি। সে কারণে শেষ পর্যন্ত সৌদি আরব ও আমিরাত পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও উন্নত যুদ্ধবিমান। কিন্তু তুরস্ক নয়। কারণ ইসলামী বিশ্বের ঐক্য, ফিলিস্তিনের মুক্তি, মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নতি সুনিশ্চিত করতে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ানের রয়েছে সুস্পষ্ট কর্মসূচি। এরদোয়ান মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলকে অন্তর্ভুক্ত করে ন্যাটোর মতো কোনো সামরিক জোট গড়ে তোলার পক্ষপাতী নন। ইসরায়েলের সঙ্গে তুরস্কও সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিরুদ্ধে নয়। তবে তার স্থায়িত্ব ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য চাই অধিকৃত ফিলিস্তিনের মুক্তি ও উন্নয়ন। নতুবা মধ্যপ্রাচ্যে কাঙ্ক্ষিত শান্তি, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি টেকসই হবে না বলে এরদোয়ানের ধারণা। সে কারণে ইসরায়েলের সঙ্গে তুরস্কের বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপন যতটা সহজ, সামরিক বা রাজনৈতিক সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া ততটা নিষ্কণ্টক নয়। আর সে কারণেই যুক্তরাষ্ট্র এরদোয়ানের আনুগত্যের ব্যাপারে নিঃসংশয় নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বিশ্বাস করেন না এরদোয়ানকে। বাইডেন এ ব্যাপারে অত্যন্ত স্থিরচিত্ত যে এরদোয়ান অত্যন্ত সুচতুর ও কৌশলী রাজনৈতিক খেলোয়াড়। পৃথিবীকে বিভক্ত করার কৌশল এরদোয়ানের ভালোই জানা আছে। নতুবা ন্যাটোর সদস্য হয়েও রাশিয়া থেকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনা কিংবা ইরানের সঙ্গে গোপন আঁতাতের প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র বহু আগেই এরদোয়ানকে কোণঠাসা করার ব্যবস্থা করে ফেলত। কিন্তু কখনো আফগানিস্তান আবার কখনো বা রাশিয়ার সম্মতিতে ইউক্রেনের খাদ্যশস্য ছাড় করানোর বেলায় এরদোয়ানের কোনো জুড়ি নেই।

অনেক পশ্চিমা সংবাদ বিশ্লেষকের মতে, বর্তমান বিশ্বরাজনীতিতে এরদোয়ান একজনই আছেন। ন্যাটোর সদস্য হয়েও রাশিয়ার পুতিন, ইউক্রেনের জেলেনস্কি, ইরানের রাইসি কিংবা চীনের শি চিনপিংয়ের সঙ্গে যাঁর রয়েছে ঘনিষ্ঠ সমঝোতা। বর্তমান বিশ্বপরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানগত পটভূমিকায় এরদোয়ানের আর্থ-রাজনৈতিক ভূমিকা এক অবিশ্বাস্য অনুঘটকের ঐতিহাসিক চরিত্র চিত্রণ করতে সক্ষম। তবে নিজ দেশে এরদোয়ানের রাজনৈতিক কিংবা অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এখনো বিপদমুক্ত নয়। তুরস্কের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, ব্যালান্স অব পেমেন্ট, অর্থনৈতিক উন্নয়ন কিংবা কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে পরিস্থিতি এত দিন খুব একটা আশাব্যঞ্জক ছিল না। তবে সৌদি আরব, আমিরাত, ইসরায়েল ও অন্যদের সঙ্গে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত কিছু দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক চুক্তি তুরস্কের সেই জটিল অবস্থায় বেশ কিছু পরিবর্তনের সূচনা করেছে। আগামী বছর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তুরস্কের জাতীয় নির্বাচন। সেই নির্বাচনটি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের জন্য এবং বিশেষ করে তুরস্কের সার্বিক উন্নয়ন বা পরিবর্তনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে। কারণ রাষ্ট্রক্ষমতায় প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের আর একটিমাত্র টার্মই তুরস্ক, মধ্যপ্রাচ্য এবং বিশ্বব্যবস্থার ভবিষ্যৎ অনেকখানিই নির্ণয় করতে সাহায্য করবে বলে বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদ বিশ্লেষকদের ধারণা।

বর্তমান দ্বন্দ্ব-সংঘাতে জর্জরিত বিশ্বপরিস্থিতি নিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে সচিতে অনুষ্ঠিত তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের অতি সাম্প্রতিক দীর্ঘ সভাটি বিভিন্ন কারণে রাজনৈতিক মহলে আন্তর্জাতিকভাবেই অত্যন্ত গুরুত্ব লাভ করেছে। সে অনির্ধারিত অথচ দীর্ঘ সভার আলোচ্যসূচি গোপন থাকলেও তথ্যাভিজ্ঞমহলে তা বিশেষ আলাপ-আলোচনার সূত্রপাত করেছে। দুই নেতার সেই সভায় ইউক্রেনের খাদ্যশস্য ছাড় করানোর বিষয়টি ছাড়াও রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘর্ষের অবসান, জ্বালানিসংকট সমাধান, রাশিয়া, চীন, তুরস্ক, ভারতসহ বিভিন্ন দেশের আন্ত বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নিজ নিজ মুদ্রার ব্যবহার, ব্যাংকিং ব্যবস্থা ও সুইফট পদ্ধতির বিকল্প ব্যবস্থা চালু করা নিয়ে বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ছাড়া কসোভো ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনার ওপর সার্বিয়ার সম্ভাব্য হামলা বন্ধ করা এবং তুরস্কে নির্মীয়মাণ পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজ এগিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ নিয়েও সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। রাশিয়ার প্রযুক্তি ও এক বিলিয়ন ডলার সহায়তা নিয়ে তুরস্কে নির্মাণাধীন পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিশাল কর্মযজ্ঞ শিগগিরই আবার শুরু হতে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। তুরস্কে ছুটি কাটাতে আসা প্রায় ৪০ লাখ রুশ ভ্রমণকারী এখন থেকে স্থানীয় মুদ্রা লিরায় লেনদেন করতে পারবে এবং তা থেকে আহরিত রুশ রুবল তুর্কি সরকার রাশিয়ার সঙ্গে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ব্যবহার করতে পারবে বলে প্রকাশ পেয়েছে। এখন সৌদি সরকার যদি ডলারের পাশাপাশি চীনের মুদ্রা ইউয়ানে (রেনমিনবি) তেল ও গ্যাসের মূল্য নিতে রাজি হয়, তবে আগামী সপ্তাহে সৌদি আরব সফরকালেই চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং ইউয়ানকে ডলারের পাশাপাশি বিকল্প মুদ্রা হিসেবে ঘোষণা দিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের কে কী ভাবল সেসবকে পাত্তা না দিয়েই আকস্মিক সচি সফর থেকে সন্তুষ্টচিত্তে দেশে ফিরে এসেছেন প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান। ডলারের বিপরীতে লিরার কিছুটা দরপতন হলেও প্রতিবেশীদের সঙ্গে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে পরিলক্ষিত হচ্ছে চাঙ্গাভাব। এ ছাড়া বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের পরিমাণও বাড়ছে সন্তোষজনকভাবে। প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর এরদোয়ান তাঁর প্রস্তাবিত কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবিরোধী সিরিয়া অভিযান স্থগিত করেছেন বলে জানা গেছে। এর পরিবর্তে সিরিয়ার আসাদ সরকারের সঙ্গে তিনি বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে সম্মত হয়েছেন বলে খবর এসেছে।

প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান প্রায়ই একটি কথা বলেন—২০২৩-পরবর্তী তুরস্ক হবে সম্পূর্ণ ভিন্ন। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক দিক থেকে বিশ্বের বুকে তুরস্ক হবে এক ভিন্ন রাষ্ট্র। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর অর্থাৎ উসমানীয় খিলাফত বা সালতানাতের অবসান ঘটার পর তুরস্কের জাতীয়তাবাদী নেতা মুস্তফা কামালের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিল আধুনিক ধর্মনিরপেক্ষ তুরস্ক প্রজাতন্ত্র। তখন অর্থাৎ ২৪ জুলাই ১৯২৩ সালে তুরস্ক সুইজারল্যান্ডের লুজানে ১০০ বছরের একটি চুক্তি স্বাক্ষর করতে বাধ্য হয়েছিল। লুজান চুক্তি নামে খ্যাত সেই চুক্তির অপর পক্ষে ছিল ব্রিটেন, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান, গ্রিস, রোমানিয়া এবং তৎকালীন যুগোস্লাভিয়া। সাত মাসের দীর্ঘ প্রয়াসের পর স্বাক্ষরিত চুক্তিতে তুরস্ককে ১০টি প্রধান শর্ত দেওয়া হয়েছিল। এর অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল উসমানীয় শাসনের অবসান, একটি সেক্যুলার রাষ্ট্র গঠন এবং চুক্তি অনুমোদনের পর ১০০ বছর পর্যন্ত তুরস্কের ভূমি থেকে কোনো জ্বালানিসম্পদ আহরণ করা যাবে না। এ ছাড়া তুরস্কের বসফরাস, ডারডানেলেস প্রণালি ও মর্মর সাগর দিয়ে চলাচলকারী সমুদ্রতরি বা জলযান থেকে কোনো ট্যাক্স নেওয়া যাবে না। তবে ১৯৩৬ সালে মনট্রো কনভেনশনে ( Montreux Convention ) স্বাক্ষরিত অন্য এক চুক্তিতে তুরস্কের প্রণালিগুলো এবং মর্মর সাগরের নিয়ন্ত্রণ তুরস্কের সেনাবাহিনীর হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ ছাড়া যুদ্ধাবস্থায় যেকোনো যুদ্ধজাহাজের চলাচল নিষিদ্ধ করার ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছিল তুরস্ককে।

আগামী বছরের ২৪ জুলাইয়ের পর শতবর্ষ স্থায়ী লুজান চুক্তির পরিসমাপ্তি ঘটবে। তখন থেকে তুরস্কের জলে-স্থলে তেল বা গ্যাস অনুসন্ধানে কোনো বাধা থাকবে না। প্রদত্ত সব শর্ত বাতিল হয়ে যাবে। তবে তুরস্ক এরই মধ্যে ভূমধ্যসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের কাজ পুরোদমে শুরু করেছে। এ ছাড়া ইস্তাম্বুল ক্যানেল নামে একটি নতুন খাল খনন করছে মর্মর থেকে কৃষ্ণ সাগর পর্যন্ত। তুরস্ক তার ক্যানেল দিয়ে চলাচলকারী জলযান থেকে কর আদায় করতে সক্ষম হবে ন্যায্যভাবে এবং নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে তার প্রণালিগুলো। এরদোয়ান বলেন, একটি ৯৯ শতাংশ মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলাম না থাকলে আর কিছুই থাকবে না। তাই ধর্মান্ধ না হয়েও তিনি ধর্মনিরপেক্ষতার রাজনীতির বিপক্ষে।

লেখক : বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) সাবেক প্রধান সম্পাদক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক

[email protected]



সাতদিনের সেরা