kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ অক্টোবর ২০২২ । ১৯ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে তরুণ সমাজ : স্পিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ আগস্ট, ২০২২ ১৪:০৪ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে তরুণ সমাজ : স্পিকার

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন অকুতোভয় ও আপোষহীন। অর্থনৈতিক মুক্তির মাধ্যমে দেশের দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই ছিল তাঁর রাজনীতির মূল দর্শন। বঙ্গবন্ধুর সেই দর্শন ও আদর্শকে ধারণ করে তরুণ সমাজ বাংলাদেশকে কাঙ্খিত লক্ষ্যে এগিয়ে নিবে, এটাই দেশবাসীর প্রত্যাশা। ’

নিউইয়র্কস্থ জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে জাতীয় শোক দিবস ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী পালন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

আজ মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অনুষ্ঠানে জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত স্বাগত বক্তৃতা করেন। এছাড়া নিউইয়র্ক সফররত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব রিয়ার অ্যাডমিরাল খুরশিদ আলমসহ যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও মুক্তিযোদ্ধা নেতৃবৃন্দ আলোচনায় অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে স্পিকার জাতির পিতার শৈশব ও কৈশোরসহ তাঁর পরিবারের ইতিহাস-ঐতিহ্য এবং সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের নানাদিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাঙালি জাতির দারিদ্রতা ও বৈষম্য দূর করে সমতা প্রতিষ্ঠাই ছিল বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনের মূল লক্ষ্য। অন্যায়ের কাছে তিনি কখনোই মাথা নত করেননি।

স্পিকার বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জনগণের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে তিনি আজীবন সংগ্রাম করেছেন। জাতির পিতা বিশ্বের শোষিত-নিপীড়িত-বঞ্চিত মানুষের মুক্তির অগ্রনায়ক। দুঃখ-দুর্দশাগ্রস্ত ও অসহায় মানুষের প্রতি ছিল তাঁর গভীর মমত্ববোধ। সদ্য স্বাধীনতাপ্রাপ্ত যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশকে ভগ্নস্তুপ থেকে সোনার বাংলায় রুপান্তরের পেছনে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকার কথা তুলে ধরেন স্পিকার।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করেছেন। স্বল্পোন্নত দেশের ক্যাটাগরি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, দারিদ্র্য বিমোচন, বিদ্যুৎ, বৈদেশিক সম্পর্কসহ প্রতিটি সেক্টরে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বিস্ময়। জাতির সকল উন্নয়নে জাতির পিতা আছেন ও চিরদিন থাকবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে জাতির পিতা ও বঙ্গমাতাসহ ১৫ আগস্টের সব শহীদের বিদেহী আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে রক্ষিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পনের মাধ্যমে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।

এর আগে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা ও জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচী শুরু হয়। অনুষ্ঠানে জাতির পিতার জীবন ও কর্মের উপর নির্মিত একটি প্রামাণ্য ভিডিও প্রদর্শন করা হয়। সবশেষে ১৫ আগস্টের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

 



সাতদিনের সেরা