kalerkantho

সোমবার । ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১১ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ২৯ সফর ১৪৪৪

স্বাধীনতাবিরোধীদের টার্গেটে আছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৪ আগস্ট, ২০২২ ১৯:৫১ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



স্বাধীনতাবিরোধীদের টার্গেটে আছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা : শিক্ষামন্ত্রী

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু মেখ মুজিবুর রহমানের মতো বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাও স্বাধীনতাবিরোধীদের টার্গেটে আছেন উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, ঘাতকরা মুজিবের ন্যায় মুজিবের রক্তকেও ভয় পায়। পঁচাত্তরের ঘাতকরা তাই মুজিবকে নির্বংশ করতে চেয়েছিল; কিন্তু তারা তা পারেনি। পঁচাত্তরের অসমাপ্ত কাজকে সমাপ্ত করতে তারা ৪৭ বছর ধরে চেষ্টা করছে। যে কারণে শেখ হাসিনাকে ২১ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আজ রবিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরাম আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।  

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পঁচাত্তরের আগে যেমন দেশে নানা সংকট ও অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল সেই অবস্থা তৈরির চক্রান্ত হচ্ছে। দেশে আজ গণতন্ত্রের নামে মঞ্চ করা হচ্ছে। এসব গণতন্ত্র মঞ্চ হলো ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখার মঞ্চ। কারণ তারা দেশের মানুষের জন্য কিছু করেনি। গত নির্বাচনে তারা ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখছেন ক্ষমতায় যাওয়ার। এসব মঞ্চ যারা করে তাদের অনেকে ‘মায়ে তাড়ানো বাপে খেদানো’ মানুষ।

পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির ফলে সীমিত আয়ের মানুষের কষ্ট হচ্ছে, এটি বাদ দিলে বাংলাদেশ যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক ভালো আছে বলে দাবি করেন ডা. দীপু মনি। তিনি বলেন, রাস্তায় লাইট জ্বলা অবস্থায় বিরোধীরা দেশে হারিকেন নিয়ে মিছিল করে। ফ্যান চালিয়ে সমাবেশে লোড শেডিংয়ের কথা বলা হয়। এটি প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই না।  

জাতির পিতাকে হত্যার মধ্য দিয়ে দেশকে পাকিস্তানি ভাবধারায় ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড শুধু রাষ্ট্রক্ষমতা দখল বা এক জেনারেলের কাছ থেকে অন্য জেনারেলের হাতে ক্ষমতা বদলের জন্য ছিল না। মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত স্বাধীন দেশকে পাকিস্তানি কায়দায় চালানোর জন্য এটা করা হয়েছিল। যে কারণে জয় বাংলা স্লোগান, ৭ই মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

‘অশ্রুঝরা আগস্টে শোকসঞ্জাত শক্তির অন্বেষা’ শীর্ষক সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আতিকুল ইসলাম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মশিউর রহমান, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাদেশ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মো. আবদুর রশীদ ও প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরামের সহসভাপতি অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারী। প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মিল্টন বিশ্বাসের সঞ্চালনায় সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাংবাদিক ও কলামিস্ট বিভুরঞ্জন সরকার।



সাতদিনের সেরা