kalerkantho

সোমবার । ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১১ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ২৯ সফর ১৪৪৪

তৃতীয় দিনের মতো ঢামেকে চলছে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি

ঢাবি সংবাদদাতা   

১৩ আগস্ট, ২০২২ ১৯:২৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



তৃতীয় দিনের মতো ঢামেকে চলছে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি

শহীদ মিনার এলাকায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক ডা. সাজ্জাদ হোসেনের ওপর হামলাকারীদের চিহ্নিত করতে ও আইনের আওতায় আনতে না পারার প্রতিবাদে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা (ব্যাচ কে-৭৩) টানা তৃতীয় দিনের মতো কর্মবিরতি চালিয়ে যাচ্ছেন।  

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৯ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে ইন্টার্ন চিকিৎসক ডা. সাজ্জাদ হোসেনের ওপর হামলাকারীদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় না আনতে পারার প্রতিবাদে কর্মবিরতি শুরু করে ঢামেকের ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদ (ইচিপ)। এদিকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতির ফলে ঢামেকে স্বাভাবিক চিকিৎসা কার্যক্রম চললেও রোগী সামাল দিতে বেগ পেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের।  

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ওয়ার্ডগুলোতে চিকিৎসকরা উপস্থিত থাকলেও সেখানে কোনো ইন্টার্ন চিকিৎসক ছিল না।

বিজ্ঞাপন

হাসপাতালের নিয়মিত কার্যক্রম স্বাভাবিক ভাবে চলছিল। তবে ইন্টার্ন চিকিৎসক না থাকায় রোগীর চাপ সামাল দিতে চিকিৎসকরা হিমশিম খাচ্ছে।  

কয়েকটি ওয়ার্ডের চিকিৎসক ও নার্সের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, কর্মবিরতি কর্মসূচির কারণে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা ওয়ার্ডে আসছেন না। তাদের অনুপস্থিতির কারণে দিনের বেলায় হাসপাতালের সেবায় কোনো সমস্যা হয় না বলে মনে হলেও রাতে কিছু সমস্যা দেখা দেয়।

ভুক্তভোগী সাজ্জাদের সঙ্গে কথা হলে তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন , তদন্ত প্রক্রিয়ায় কোনো অগ্রগতি নেই বলে মনে হচ্ছে। তারা আরো দেরি করলে আমরা আরো কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।

কর্মবিরতির বিষয়ে ঢামেকের ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের (ইচিপ) সভাপতি ডা. মহিউদ্দিন জিলানী কালের কণ্ঠকে বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত হামলাকারীদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় না আনা হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের কর্মবিরতির কর্মসূচি চলমান থাকবে।  

তিনি আরো বলেন, ইন্টার্ন চিকিৎসকরা মূলত হাসপাতালে কাজ শিখতে যায়। তারা চিকিৎসকদের হেল্পিং হ্যান্ড হিসেবে কাজ করে। আমাদের কর্মবিরতির কারণে হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম স্বাভাবিকই চলছে। তবে আমরা না থাকায় দায়িত্বরত চিকিৎসকদের রোগী সামলাতে কষ্ট হচ্ছে। আগে এক রোগী যে চিকিৎসা ৫ মিনিটে পেত সেটি এখন ১০ মিনিটে পাচ্ছে। তবে কেউ চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে না।  

উল্লেখ্য, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কে-৭৩ ব্যাচে ২২০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে যার মধ্যে ২০ জন শিক্ষার্থী বিদেশ থেকে এসেছে। ডা. সাজ্জাদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের জন্য ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেওয়ার পর ১১ আগস্ট থেকে কে-৭৩ ব্যাচের ২০০ শিক্ষার্থী কর্মবিরতি পালন করছে।



সাতদিনের সেরা