kalerkantho

বুধবার । ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১৩ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

দশ দাবিতে হাবিপ্রবি উপাচার্যকে ছাত্রলীগের স্মারকলিপি

হাবিপ্রবি প্রতিবেদক   

১১ আগস্ট, ২০২২ ২১:২৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দশ দাবিতে হাবিপ্রবি উপাচার্যকে ছাত্রলীগের স্মারকলিপি

দশ দফা দাবিতে ছাত্রলীগের স্মারকলিপি।

সেশনজট নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, ক্রেডিট ফি কমানো, আবাসিক হলগুলোতে ফ্রি ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক স্থাপন, পরিবহনসংকট দূরীকরণসহ ১০ দাবিতে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রলীগ।

আজ বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট)  বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন দাবিতে স্লোগান দেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রারকে মাধ্যম করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ১০ দাবি সংবলিত একটি স্মারকলিপি উপাচার্যকে দেয় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ।

১০ দাবি হলো : ক্রেডিট ফি কমানো, আবাসিক হলে প্রতি ফ্লোরে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, আবাসিক হলগুলোতে ফ্রি ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক স্থাপন, পরিবহনসংকট দূরীকরণ, প্রধান ফটক ও প্রথম ফটকে ওভারব্রিজ নির্মাণ, মেসের শিক্ষার্থীদের সিটভাড়া সহনীয় পর্যায়ে রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ, সেমিস্টারের নামে অযাচিত ফি আদায় বন্ধকরণ, শিক্ষার্থীদের প্রাপ্য উপবৃত্তির টাকা দ্রুত প্রদান, সেশনজট নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ ও যথাসময়ে সেমিস্টার পরীক্ষার ফলাফল প্রদান।

বিজ্ঞাপন

শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়ে ছাত্রনেতারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ছাত্রলীগ সব সময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে কাজ করে। আমাদের দাবিগুলো সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে।  আগামী ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আমরা এসব দাবির বাস্তবায়ন চাই। অন্যথায় আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে আবারও অবস্থান কর্মসূচি করব। স্মারকলিপি দেওয়ার সময় বিভিন্ন হল শাখা ছাত্রলীগের শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষার্থীদের ১০ দাবির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ড. ইমরান পারভেজ বলেন, 'শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিগুলো বাস্তবায়নে প্রশাসন আন্তরিক। এর মধ্যে অনেক বিষয় নিয়ে কাজ চলমান রয়েছে।  
সব দাবি এক দিনে পূরণ করা সম্ভব নয়।  প্রাথমিক অবস্থায় যেসব দাবি পূরণ করা সম্ভব সেগুলো অতি অল্প সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন ও বাকিগুলো ক্রমান্বয়ে বিবেচনা করে পূরণ করার চেষ্টা করবে প্রশাসন। '



সাতদিনের সেরা