kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১২ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৩০ সফর ১৪৪৪

২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা

১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে জজ মিয়ার আইনি নোটিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১১ আগস্ট, ২০২২ ২১:২২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে জজ মিয়ার আইনি নোটিশ

দেড়যুগ আগে ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলায় বিনা অপরাধে চার বছর কারাভোগে মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ণ হওয়ায় ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন মো. জালাল ওরফে জজ মিয়া।

বৃহস্পতিবার রেজিস্ট্রি ডাকে স্বরাষ্ট্রসচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শকসহ ১১ ব্যক্তির কাছে এ নোটিস পাঠানো হয়। এ ছাড়া তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফজ্জামান বাবর, পুলিশের তৎকালীন মহাপরিদর্শক খোদা বকশ চৌধুরী, সহকারী পুলিশ সুপার আবদুর রশীদ, মুন্সী আতিকুর রহমান ও সাবেক বিশেষ পুলিশ সুপার মো. রুহুল আমিনও রয়েছেন।

জজ মিয়ার পক্ষে নোটিশটি পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব ও মোহাম্মদ কাউছার।

বিজ্ঞাপন

জজ মিয়ার কারাভোগের জন্য দায়ীদের নিরূপণে ‘অনুসন্ধান কমিটি’ গঠন করতে বলা হয়েছে নোটিশে। যাদের দায় পাওয়া যাবে তাদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করে জজ মিয়াকে দিতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে লুৎফুজ্জামান বাবরসহ জড়িত ব্যক্তিদের স্থাবর সম্পত্তি জব্দেরও দাবি জানানো হয়েছে নোটিশে। নোটিশ পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে এসব বিষয়ে পদক্ষেপ না নিলে উচ্চ আদালতে রিট করাসহ প্রয়োজনীয় আইনগতদ পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী হুমায়ন কবির পল্লব।

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। এতে দলের নেতাকর্মীসহ ২২ জন নিহত হন। আহত হন তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনাসহ কয়েক শ নেতাকর্মী। ভয়াবহ এ গ্রেনেড হামলা মামলায় ২০০৫ সালের জুনে জজ মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ মামলায় তাকে জজ মিয়া সাজিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। ২০০৯ সালের জুনে তিনি মুক্তি পান। কোনো দোষ ছাড়াই তাকে প্রায় চার বছর কারাগারে রাখা হয়।



সাতদিনের সেরা