kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১২ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৩০ সফর ১৪৪৪

কর্মবিরতিতে ঢামেকের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা

ঢাবি সংবাদদাতা   

১১ আগস্ট, ২০২২ ১৯:২৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কর্মবিরতিতে ঢামেকের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক ডা. মো. সাজ্জাদ হোসেনকে শহীদ মিনার এলাকায় মারধরের ঘটনায় ৪৮ ঘণ্টা পার হলেও অপরাধীদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় না আনতে পারায় কর্মবিরতি পালন করছে ঢামেকের ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদ (ইচিপ)।

আজ বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) সংগঠনটির সভাপতি ডা. মহিউদ্দিন জিলানী ও সাধারণ সম্পাদক ডা. মারুফ উল আহসান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়টি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় ছাত্র কর্তৃক গত ৮ আগস্ট রাত ৯টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বিনা কারণে ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক ডা. মো. সাজ্জাদ হোসেনের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালায়। এ ঘটনার ৪৮ ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও এখনও অপরাধী শনাক্ত না হওয়ায় ও তাদের আইনের আওতায় আনতে না পারার প্রতিবাদ স্বরূপ পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতি পালন করবেন।

বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে সংগঠনটির সভাপতি ডা. মহিউদ্দিন জিলানী কালের কণ্ঠকে বলেন, গত ৮ আগস্ট রাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় শিক্ষার্থীর হামলার শিকার হন ঢামেকের ইন্টার্ন চিকিৎসক মো. সাজ্জাদ হোসেন। এ ঘটনার বিচারের দাবিতে আমরা মেডিক্যালের পরিচালক, উপ-পরিচালক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, প্রক্টর বরাবর প্রতিবাদ লিপী এবং শাহবাগ থানায় একটি জিডিও করি। ৯ আগস্টেই আমরা এক বিবৃতিতে উল্লেখ করি যে যদি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সাজ্জাদের ওপর হামলাকারীদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় না আনা যায় তাহলে আমরা কর্মবিরতিতে যাবো। সেজন্যই আমরা বৃহস্পতিবার দুপুর বারোটা থেকে কর্মবিরতি কর্মসূচি শুরু করেছি। অপরাধী শনাক্ত ও আইনের আওতায় না আনা পর্যন্ত কর্মবিরতি কর্মসূচি চালু থাকবে।

তবে এতে হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবেই চলছে বলে উল্লেখ করেন ডা. মহিউদ্দিন জিলানী। তিনি বলেন, আমাদের কর্মবিরতিতে হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রমে কোনো ব্যাঘাত ঘটেনি। চিকিৎসা কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবেই চলছে। হাসপাতাল চালু রয়েছে।

জিডির বিষয়ে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মওদুত হাওলাদার কালের কণ্ঠকে বলেন, আমরা সিসিটিভি ফুটেজ থেকে কিছু তথ্য পেয়েছি। সেগুলো যাচাই বাছাই করছি। দু-একদিনের ভেতর হামলাকারীদের শনাক্ত করতে পারব।



সাতদিনের সেরা