kalerkantho

শুক্রবার । ৭ অক্টোবর ২০২২ । ২২ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

‘আইন প্রণয়নের বাইরেও পার্লামেন্টের ভূমিকা ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১০ আগস্ট, ২০২২ ১৮:৪৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



‘আইন প্রণয়নের বাইরেও পার্লামেন্টের ভূমিকা ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে’

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, পার্লামেন্ট রাষ্ট্রের সকল কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু। রাষ্ট্র পরিচালনা এবং উন্নয়ন ও জনস্বার্থ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সময়োপযোগী আইন প্রণয়ন সংসদের প্রধান কাজ। কিন্তু সমকালীন বিশ্বে আইন প্রণয়নের বাইরেও পার্লামেন্টের ভূমিকা ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে।

ইউএন ওমেন সদর দপ্তরে ইউএন ওমেনের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক মিস অনিতা ভাটিয়া ও অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠককালে তিনি একথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

এ সময় তিনি আরো বলেন, সমকালীন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু যেমন জলবায়ু পরিবর্তন, জেন্ডার সমতা নিশ্চিতকরণ, জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতাসহ সকল প্রকার সহিংসতা নির্মূল, দারিদ্র্য বিমোচনসহ গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণে পার্লামেন্টের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদ আন্তরকিভাবে কাজ করে যাচ্ছ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ইউএনওমেন প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই তিনি এর কার্যক্রমের সাথে নানানভাবে সম্পৃক্ত রয়েছেন। নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিতকরণে নিবেদিত ইউএনওমেন এর কার্যক্রমের প্রতি তাই তার বিশেষ আগ্রহ রয়েছে।

অনিতা ভাটিয়া ইউএনওমেন সদর দপ্তরে স্পিকারকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, নারীর সার্বিক উন্নয়নে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর বিশেষ আগ্রহ ও মনোযোগ সম্পর্কে ইউএনওমেন সম্যক অবগত আছে।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ সার্বিকভাবে নারীর ক্ষমতায়নে বিশ্বে অনুকরনীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বিশেষ করে নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের গৃহীত নানান পদক্ষেপ প্রশংসনীয়। জাতীয় সংসদের মাধ্যমে ইউএনওমেন বাংলাদেশে জেন্ডার সমতা নিশ্চিত করনে কাজ করতে আগ্রহী। সেই লক্ষ্যে সংসদ সদস্যগণের সমন্বয়ে নারী উন্নয়ন বিষয়ক সর্বদলীয় পার্লামেন্টারি গ্রুপ গঠন করতে ইউএন ওমেন কারিগরি সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ইউএন ওমেন কর্তৃক কারিগরি সহযোগিতা প্রদানের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশে জনসংখ্যা ও উন্নয়ন ইস্যূতে সংসদ সদস্যগণের সম্পৃক্ততা জোরালো করার জন্য বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব পার্লামেন্টারিয়ানস অন পপুলেশন অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট (বিএপিপিডি) গঠন করা হয়েছে। বিএপিপিডি অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সাফল্যের সাথে কাজ করে যাচ্ছে। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিগণ নারী, শিশু ও যুব সমাজের কল্যাণ ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে শুধুমাত্র আইন প্রণয়ণেই সীমাবদ্ধ না থেকে বিএপিপিডি’র আওতায় ‘বাল্যবিবাহ ও জেন্ডার ভিক্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ’, ’মাতৃস্বাস্থ্য উন্নয়ন, নিরাপদ প্রসব নিশ্চিত ও পরিবার পরিকল্পনা’ এবং ‘জনসংখ্যার বহুমাত্রিকতা ও যুব উন্নয়ন’- এ তিনটি ইস্যুতে আইনের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করাসহ মাঠ পর্যায়ে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে কাজ করছেন।

ইউএন ওমেনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই গ্রুপ নারীর সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জেন্ডার সমতা অর্জনের পথে যে বাধাগুলো আছে তা চিহ্নিত করবে এবং সেসব বাধা দূরীকরণে সচেতনতা জোরদার করবে। সমকালীন বিশ্বে জলবায়ুর পরিবর্তনজনিত যে সমস্যাগুলোর উদ্ভব হচ্ছে, তা নারীকে কিভাবে এফেক্ট করছে, তাও বিভিন্ন পর্যায়ে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।



সাতদিনের সেরা