kalerkantho

বুধবার । ১৭ আগস্ট ২০২২ । ২ ভাদ্র ১৪২৯ । ১৮ মহররম ১৪৪৪

খেলার মাঠ-উদ্যান প্রতিষ্ঠায় বড় অন্তরায় জমির অভাব : তাপস

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৭ জুলাই, ২০২২ ১৭:২৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



খেলার মাঠ-উদ্যান প্রতিষ্ঠায় বড় অন্তরায় জমির অভাব : তাপস

জমির অভাবই পর্যাপ্ত খেলার মাঠ-উদ্যান প্রতিষ্ঠায় সবচেয়ে বড় অন্তরায় বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

আজ বুধবার দুপুরে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসাবো বালুর মাঠে 'বাসাবো সবুজ বলয়'-এর নির্মাণকাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মেয়র তাপস বলেন, প্রতি ওয়ার্ডেই ন্যূনতম একটি খেলার মাঠ-উদ্যান প্রতিষ্ঠা আমাদের মূল লক্ষ্য। কিন্তু খেলার মাঠ-উদ্যান প্রতিষ্ঠা ও নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি করতে সবচেয়ে বড় অন্তরায় হলো আমাদের জমির অভাব।

বিজ্ঞাপন

পর্যাপ্ত জমির সংস্থান করা।

সবুজ বলয়ের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা উল্লেখ করে মেয়র বলেন, আমরা এই বলয়কে কেন্দ্র করে ফিফার মানদণ্ড অনুযায়ী যেমনি ফুটবল খেলা ও আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের আলাদা ব্যবস্থা রেখেছি, তেমনি এখানে দর্শকদের জন্য বসার জায়গা রাখা হয়েছে এবং ক্রিকেটের জন্য যেন নেট প্র্যাকটিস করতে পারে, সে ব্যবস্থাও আমরা এখানে রেখেছি। তা ছাড়া এখানে এসে শিশুরা যেন খেলতে পারে ও অন্য খেলার সঙ্গে তাদের যেন সংঘর্ষ না হয়, সেই ব্যবস্থাও আমরা আলাদাভাবে রেখেছি।

নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করেই খেলার মাঠ ও উদ্যান প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগ অব্যাহত রাখা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, আজ যে মাঠে আমরা সবুজ বলয়ের উদ্বোধন করলাম, সেই জমিটি দখল করার জন্য অনেকেই চেষ্টা করছে। কিন্তু এই এলাকার সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী ও আমাদের কাউন্সিলরসহ সবার দৃঢ়তার জন্যই এই জমিটা রক্ষা করতে পেরেছি বলেই আজ আমরা এই প্রকল্পে হাত দিতে পেরেছি। এই সমস্যাটা কিন্তু প্রত্যেকটা ওয়ার্ডেই রয়েছে।

নির্বাচনী ইশতেহারে বর্ণিত অঙ্গীকার পূরণে কাজ করে চলেছি উল্লেখ করে তাপস বলেন, আমরা আমাদের সন্তানদের জন্য প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে এ রকম একটি করে উদ্যান-মাঠ যেন রেখে যেতে পারি। খেলার পরিবেশ রেখে যেতে পারি, তাহলেই আমাদের সুন্দর ঢাকা বিনির্মাণ হবে। সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করে চলেছি। এভাবেই ধাপে ধাপে সুন্দর ঢাকা গড়ার দিকে আমরা এগিয়ে যাব।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন,  ২০০০ সালে আমরা এখানে একটি সবুজ বলয় করার উদ্যোগ নিয়েছিলাম। তখন থেকে প্রকল্প নিয়ে আমরা কাজ করছি। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে আইনি জটিলতা তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সত্যের জয় হলো। সেই জয়ে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছেন আমাদের মেয়র। তিনি এই প্রকল্প গ্রহণ করেছেন এবং এই প্রকল্পে অর্থায়নের ব্যবস্থা করেছেন।

এর আগে শেখ তাপস পাঁচতলা ভিত্তিবিশিষ্ট মেরাদিয়া কাঁচাবাজার ও বিপণিবিতানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, বাসাবো বৌদ্ধ মন্দির থেকে কালীমন্দির পর্যন্ত রাস্তা সম্প্রসারণে চলমান কাজ এবং পরে রায়ের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের 'শহীদ শামসুন্নেসা আরজু মণি একাডেমিক ভবন' উদ্বোধন ও আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেলে চলমান খননকাজ পরিদর্শন করেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ, সচিব আকরামুজ্জামান, প্রধান প্রকৌশলী সালেহ আহম্মেদ, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আরিফুল হক, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খায়রুল বাকের ও কাজী বোরহান উদ্দিন, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডগুলোর কাউন্সিলর ও মহিলা কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন।



সাতদিনের সেরা