kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১২ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৩০ সফর ১৪৪৪

দিল্লির চিঠি

পারস্পরিক আলোচনায় সীমান্ত হত্যা বন্ধ করা সম্ভব

জয়ন্ত ঘোষাল   

২৫ জুলাই, ২০২২ ০৫:১০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



পারস্পরিক আলোচনায় সীমান্ত হত্যা বন্ধ করা সম্ভব

২০১১ সালের কথা। ফেলানী নামের একটি মেয়ের লাশের ছবি পৃথিবীজুড়ে হৈচৈ ফেলে দিয়েছিল। অনেক বিতর্ক হয়েছিল সেই ঝুলন্ত মৃতদেহ নিয়ে। ফেলানী বাংলাদেশের একটি মেয়ে।

বিজ্ঞাপন

ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফ অনুপ্রবেশকারী অভিযোগে তাকে গুলি করে। সেখানেই শেষ নয়, বিএসএফ তার মৃতদেহটাকে কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলিয়ে দিয়েছিল। তারা নাকি এই কাজটি করেছিল এ জন্য, যাতে অনুপ্রবেশকারীরা এই দৃষ্টান্তে ভয় পায় এবং সীমান্তে এ ধরনের অনুপ্রবেশ বন্ধ হয়।

এর কয়েক বছর পর, সালটা ঠিক মনে নেই, গিয়েছিলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ আয়োজিত একটি সেমিনারে। সেখানে আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক এবং সীমান্তের সন্ত্রাস। উপস্থিত ছিলেন বিএসএফের সাবেক অধিকর্তা রামমোহন। তিনি এখন প্রয়াত। সেই সেমিনারে আমি যোগ দিয়েছিলাম ভারতীয় সাংবাদিক হিসেবে। রামমোহন আমার আগে বক্তব্য দিতে উঠে বলেছিলেন, বিএসএফ যখন গুলি চালায় তখন সেটা যথার্থ। তার কারণ, কখনোই কোনো সাধারণ মানুষের ওপর গুলি চলে না, অনুপ্রবেশকারীদের ওপর গুলি চলে। যখন তাদের থামতে বলা হয়, তারা পালানোর চেষ্টা করে। তখন তাদের উদ্দেশ্যে গুলি চালানো হয়, যাতে তারা পালিয়ে যেতে না পারে। এই বক্তৃতার পর ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে শোরগোল পড়ে যায়। অনেকে প্রতিবাদ জানাতে থাকে।

তাঁর পরের বক্তা ছিলাম আমি। ছাত্র-ছাত্রীরা তখন বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে। আমি বক্তব্য শুরু করার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁরা বললেন, বিএসএফ যখন গুলি চালায় তখন সেই গুলি পায়ে না লেগে বুকে লাগে কেন? আর এমন নির্মমভাবে একটি মেয়ের লাশ ঝুলিয়ে রাখা কোন সভ্যতার পরিচয়? এটা কি অল্প অপরাধে গুরুদণ্ড নয়? সেবার কোমলচিত্ত ছাত্র-ছাত্রীদের আবেগ আমি প্রথম দেখেছিলাম বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে। আমি যখন বক্তব্য দিতে উঠেছি তখন মনে হচ্ছিল, কার্যত আমিই যেন অপরাধী।

সেখানে উঠে দাঁড়িয়ে বলেছিলাম, আমি বৃহত্তম গণতন্ত্রের দেশ ভারতের স্বাধীন মিডিয়ার স্বাধীন সাংবাদিক। আমি তো রাষ্ট্রের প্রতিনিধি নই, আমি ফ্রি মিডিয়ার প্রতিনিধি। এখানে এসেছি একজন অতিথি বক্তা হিসেবে। আমি এখানে ভারত সরকারের প্রতিনিধিত্ব করছি না। তারপর আমি ছাত্র-ছাত্রীদের জানাই, আমরা ভারতীয় সাংবাদিকরা শুধু বাংলাদেশ সীমান্ত কেন, সবচেয়ে সংবেদনশীল রাজ্য জম্মু ও কাশ্মীর সীমান্তে যেখানে পাকিস্তান সীমান্ত, সেখানেও যদি সেনাবাহিনীর মানবাধিকার লঙ্ঘন হয় তাহলেও আমরা তার তীব্র প্রতিবাদ জানাই। কাশ্মীর উপত্যকায় যদি বিএসএফ মানবাধিকার লঙ্ঘন করে, সেখানে শুধু মানবাধিকার কমিশন নয়, শুধু জাতিসংঘ নয়, আমরা ভারতীয় সাংবাদিকরাও কিন্তু একইভাবে সোচ্চার হয়ে প্রতিবাদ জানাই। কাজেই বাংলাদেশ সীমান্তে যদি বিএসএফ কোনো অন্যায় করে অথবা এমন কোনো কাজ করে, যেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে তাহলে আমরা তার প্রতিবাদ জানাতে দ্বিধা করি না। যা হোক, সে যাত্রায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা বুঝতে পেরেছিলেন, বাংলাদেশের মানুষ সম্পর্কে ভারত যথেষ্ট শ্রদ্ধাশীল।

এরপর বহু বছর কেটে গেছে। ভারতের বিএসএফ আর বাংলাদেশের বিজিবি—দুই দেশের এই দুই সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর পাঁচ দিনব্যাপী সম্মেলন হয়ে গেল গত ১৭ থেকে ২১ জুলাই ঢাকা শহরের পিলখানায়। সেখানে বিএসএফের মহাপরিচালক পঙ্কজ কুমার সিং বললেন, বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্তে গুলিতে যারা নিহত হচ্ছে তারা অপরাধী। তাদের অপরাধী আখ্যায়িত করায় আবার বাংলাদেশ সংবাদমাধ্যম মুখরিত। পঙ্কজ সিং আরো বলেছেন, গুলি চালনার ঘটনা দিনের বেলায় তো ঘটে না, রাতে ঘটে। কেন? তার কারণ, তারা অপরাধী।

দুই দেশের মধ্যে এটা ছিল ৫২তম সম্মেলন। সেখানে তিনি বললেন, তারা রাত ১০টার পর বা ভোর ৪টায় সীমান্ত বেড়ায় কী করে? অর্থাৎ তিনি সরাসরি প্রশ্ন তুললেন। অবশ্য পঙ্কজ কুমার সিং এ কথাও বলেছেন যে দুই দেশেই মানুষের মধ্যে অপরাধী যেমন আছে আবার ভালো মানুষও তো আছে। আমরা দুই দেশের মানুষকেই মূল্যবান বলে মনে করি। অতএব আলোচনার মধ্য দিয়ে আমরা এ সমস্যার সমাধান করতে চাই।

বাংলাদেশের বিজিবির প্রধান মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ পাল্টা অভিযোগ এনেছেন। তিনি বলেছেন, ভারত থেকেও অনেক অনুপ্রবেশ হচ্ছে। তিনি প্রশ্ন করেন, রোহিঙ্গারাই বা বাংলাদেশে ঢুকছে কিভাবে? এ বছর জুন মাস পর্যন্ত পাওয়া খবরে পাঁচজন বাংলাদেশি নিহত হয়েছে। এটা যেমন সত্য, আবার ২১২ জন রোহিঙ্গার যে অনুপ্রবেশ ঘটেছে, এটাও তেমন সত্য। বিএসএফের প্রধান বলেন শিশু ও নারী পাচারকারীদের কথা। বিজিবির প্রধান বলেছেন, দুই দেশেই শিশু ও নারী পাচারকারীদের দালালচক্র আছে। সেই দালালচক্রকে ধরতে হবে। এত দিনেও তাদের ধরা যাচ্ছে না। দুই দেশ যৌথভাবে আরো সক্রিয় হয়ে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে হবে।

এরপর প্রশ্ন উঠেছে—এই সীমান্তে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে কেন? বিএসএফ প্রধান বলছেন, প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনজনের মধ্যে একজন এই প্রাণঘাতী অস্ত্র সঙ্গে রাখে। আর এ বিষয়টি সবাই জেনে যাওয়ায় বোধ হয় আরো বেপরোয়া হয়ে গেছে এই অনুপ্রবেশ।

আবার পাল্টা প্রশ্ন উঠছে যে এই প্রাণঘাতী অস্ত্র যখন ব্যবহৃত হয় তখন সেটা সরাসরি বুকে এসে লাগে কেন? সরাসরি তাদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয় কেন? তাদের তো পায়ে গুলি চালানো যায়। সেটা না করে একেবারেই তাদের মৃত্যুর দোরগোড়ায় ঠেলে দেওয়া হয় কেন? বাংলাদেশ প্রথম থেকে এখনো পর্যন্ত বারবার বলছে, এই সীমান্ত সন্ত্রাসকে শুধু কমানো নয়, একেবারে শূন্যের কোঠায় নামাতে হবে। এখন এই সীমান্ত সন্ত্রাসকে কিভাবে শূন্যের কোঠায় নামানো যায়, সেটা নিয়ে যৌথভাবে আলোচনা প্রয়োজন এবং গোটা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

নিরপেক্ষভাবে বিশ্লেষণ করলে প্রথমেই বলতে হয়, কোনো দেশেই অনুপ্রবেশ বৈধ হতে পারে না। আমি ভিসা ছাড়া অন্য কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রেই যেতে পারি না। শুধু বাংলাদেশ কেন, আমি কি ভিসা ছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপে যেতে পারি? অবশ্য কয়েকটা দেশ আছে, যেখানে বন্ধুরাষ্ট্র হিসেবে ভিসা প্রথাই নেই। সে দেশগুলোর কথা আলাদা। কিন্তু যেখানে ভিসার প্রথা রয়েছে সেখানে তো ভিসা মানতেই হয়।

পৃথিবীজুড়ে সীমান্ত বিষয়টি খুব সংবেদনশীল। একেকটা দেশের সঙ্গে একেকটা দেশের সম্পর্কের ভিত্তিতেই সীমান্ত নির্ধারিত হয়। যেমন—গোটা ইউরোপের বিভিন্ন রাষ্ট্রের মধ্যে সীমান্ত বোঝাই যায় না। সেখানে ট্রেনে চাপলে কখন প্যারিস, কখন ইতালি আর কখন গ্রিস, বোঝাই যায় না। তার কারণ, সেখানে সীমান্তের কোনো বেড়া নেই। সেখানে ইউরো এসে গেছে। সেখানে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এসেছে। কোথায় ডেনমার্ক আর কোথায় স্পেন, একেবারে বুঝতেই পারি না। আবার মেক্সিকোতে গেলে কিন্তু বোঝা যায় যে সীমান্ত নামের বিষয়টি কী সাংঘাতিক! মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো সম্পর্ক কী রকম ভয়াবহ! উত্তর কোরিয়া আর দক্ষিণ কোরিয়ার কথা না হয় ছেড়েই দিলাম। তার মানে সীমান্ত সমস্যা যেখানে ভয়াবহ, যেখানে চোরাচালান, ড্রাগ এবং আরো নানা সমস্যা রয়েছে, সেখানে সীমান্ত জটিল আকার ধারণ করে।

এখানে প্রধান বিচার্য বিষয় হলো, ভারত ও বাংলাদেশ দুটি অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু দেশ। বন্ধুর মধ্যেও মতপার্থক্য হতে পারে, বন্ধুর মধ্যেও পারস্পরিক সম্পর্কের জটিলতা দেখা দিতে পারে। আর বন্ধু যখন দেশ তখন তো দুই দেশের সার্বভৌম স্বার্থও আলাদা হতে পারে। তবে এ সমস্যার সমাধান কিন্তু যুদ্ধংদেহি মনোভাব নিয়ে সম্ভব নয়। যদি সত্যি সত্যিই অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হয়, তাহলে কাঁটাতারের বেড়া লাগিয়ে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তকে সম্পূর্ণভাবে সিল করে দেওয়া প্রয়োজন। আর এই সিল করে দেওয়ার দায়িত্ব তো ভারতের ছিল। এত বছর পরও সেটা সম্ভব হয়নি কেন? আমরা ইংরেজিতে যাকে বলি Porous Border (ছিদ্রযুক্ত সীমান্ত), সেটা কেন হলো না?

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে একটা দীর্ঘতম সীমান্ত। সেই সীমান্তকে সিল করে না দেওয়ার পেছনে কারণগুলো কী কী? সীমান্তের ক্ষেত্রে আর্থ-সামাজিক বিষয়টি পৃথিবীর সব দেশই বিচার করে। সীমান্তের সঙ্গে নানা রকমের আবেগ জড়িত থাকে, যার সঙ্গে মানুষে মানুষে সম্পর্কের প্রশ্ন জড়িয়ে থাকে।

একজন জঙ্গি অনুপ্রবেশকারী সরাসরি সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত। আইএসআইয়ের মদদপুষ্ট পাকিস্তানি জঙ্গিরা বাংলাদেশ হয়ে ঢুকে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বা কাশ্মীরে সন্ত্রাস চালাচ্ছে। তাদের ক্ষেত্রে বিষয়টি আলাদা। অন্যদিকে একজন মৎস্য চাষি অথবা একজন সাধারণ গরিব ঘরের মেয়ের জীবিকার সন্ধানে ঢুকে পড়া—এই দুটি কি এক?

শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর ভারতবিরোধী জঙ্গি কার্যকলাপ দমনের ব্যবস্থা নিয়েছেন। বাংলাদেশের মাটিকে পাকিস্তানি সন্ত্রাসী এবং অন্যান্য ভারতবিরোধী সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর বিচরণভূমি হতে দেননি। তিনি উলফা জঙ্গিদের ভারতের হাতে তুলে দিয়েছেন। উলফা জঙ্গিরা যখন নেপাল ও ভুটান থেকে তাড়া খেয়ে জঙ্গল দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছিল তখন কিন্তু বাংলাদেশ তাদের প্রতিহত করে। সেই জঙ্গিরা শেষ পর্যন্ত মিয়ানমারে পালিয়ে যায়।

এসব ঘটনায় অতীতে বাংলাদেশ খুব সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিল। তাহলে কৌশলগতভাবে যখন এই মুহূর্তে বাংলাদেশকে খুব প্রয়োজন, যখন ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার যুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম চীনের যুদ্ধংদেহি অবস্থানে ভারত-বাংলাদেশকে আরো কাছাকাছি আসতে হচ্ছে, যখন শেখ হাসিনা সেপ্টেম্বর মাসে ভারতে আসার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, এমনকি তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পদ্মা সেতু দেখার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন, যখন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও শেখ হাসিনার একটা বৈঠক করার কথা চলছে, যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক অভূতপূর্ব সম্পর্ক গড়ে তুলছেন। এই জিওস্ট্র্যাটেজিক পজিশনকে ভারত গুরুত্ব দিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে মৈত্রীকে আরো সুদৃঢ় করছে, তখন সেই বৃহৎ প্রেক্ষাপটে এ ধরনের সীমান্ত সন্ত্রাসের বিষয়ে ঢাকায় গিয়ে কোনো বিবৃতি যদি বাংলাদেশের মধ্যে ভারতবিরোধী মানসিকতা তৈরি করে, যদি সেটা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জামায়াত ও বিএনপির মতো দল কাজে লাগানোর চেষ্টা করে তাতে ভারত কিভাবে লাভবান হতে পারে।

এখন তো এমন তথ্যও আসছে, ক্ষমতায় থাকার সময় বিএনপির পক্ষ থেকে আসামে উলফা জঙ্গিদের কাছে অস্ত্র পাঠানো হয়েছিল। এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ মানবাধিকার রিপোর্টেও দেখা যাচ্ছে, জামায়াতের অধিকার নিয়ে অতীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত বিভিন্ন সময় নরম মনোভাব নিয়েছিল।

এ রকম একটা পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনা মৌলবাদের বিরুদ্ধে যে লড়াইটা করছেন, বিষয়টি ভারতের পক্ষে বা বিপক্ষে নয়, তিনি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে এক আধুনিক বাংলাদেশ গঠনের জন্য সচেষ্ট। এই পরিস্থিতিতে সীমান্ত সন্ত্রাস নির্মূল করা প্রয়োজন। কিন্তু সেটা পারস্পরিক বিরোধের মধ্য দিয়ে নয়, পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমেই সেই মীমাংসা একমাত্র সম্ভব।

লেখক : নয়াদিল্লিতে কালের কণ্ঠের বিশেষ প্রতিনিধি



সাতদিনের সেরা