kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১২ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৩০ সফর ১৪৪৪

মাদরাসা নিয়ে দ্বন্দ্ব, দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১

দেবীদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি   

১০ জুলাই, ২০২২ ০৯:৪৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মাদরাসা নিয়ে দ্বন্দ্ব, দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১

কুমিল্লার দেবীদ্বারে মাদরাসার সভাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত ও ছুরিকাঘাতে চারজন মারাত্মক আহত হয়েছে। ঘটনার পর আহত পাঁচজনকে দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। পরে বিকেল সোয়া ৬টায়  কর্তব্যরত চিকিৎসক মেহেদী হাসান শান্ত (১৬) নামের একজনকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকি আহত চারজনের মধ্যে দুজনকে মুমূর্ষু অবস্থায় কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

 

গতকাল শনিবার বিকেল সোয়া ৫টায় দেবীদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের নূরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মেহেদী হাসান শান্ত উপজেলার নূরপুর গ্রামের জাকির হোসেন সরকারের ছেলে। পেশায় সে ট্রাক্টরচালক ছিল।

আহতরা হলেন নূরপুর গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে আশরাফুল আলম (১৪), তার অবস্থা সংকটাপন্ন। সে নূরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র। একই গ্রামের মোতালেব হোসেনের ছেলে রাসেল আহমেদ (২৪), মৃত মাজু মিয়ার ছেলে মো. নুরুল ইসলাম (২৫), খোরশেদ আলমের ছেলে আরমান আলম (১৫)। আরমান কুমিল্লা ঈশ্বর পাঠশালায় দশম শ্রেণিতে পড়ে।

নূরপুর গ্রামের বিল্লাল, আকরাম, নাদিম জানান, নূরপুর শাহ ফাতেমি ইবতেদায়ি হাফেজিয়া নূরানি মাদরাসা ও এতিমখানায় শনিবার আসরের নামাজের পর একটি সভা ছিল। সভার পূর্বে নূরপুর গ্রামের আমেরিকাপ্রবাসী মো. জসীম উদ্দিনের ছেলে সাজিদের (২৫) সাথে স্থানীয় কয়েকজন কিশোর-যুবকের তর্ক হয়। এক পর্যায়ে সাদ্দাম, আল আমিন, সগির, বায়েজিদ সাজিদকে মারতে আসে। তখন সাজিদ কোমর থেকে একটি ছোরা বের করে এলোপাতাড়ি আঘাতে তিন-চারজনকে আহত করেন।  

সাজিদকে প্রতিপক্ষের লোকজন ঘেরাও করে মারধর করতে থাকলে তাকে বাঁচাতে তার ভাগিনা মেহেদী হাসান শান্তসহ তার বাড়ির লোকজন এগিয়ে আসে। এ সময় মেহেদী হাসান শান্তকে আল আমিন ও তার লোকজন এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে মারাত্মক জখম করে। শান্তসহ অপর চারজনকে দ্রুত দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসার পর সন্ধ্যা ৬টায় কর্তব্যরত চিকিৎসক শান্তকে মৃত ঘোষণা করেন।

দেবীদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কমল কৃষ্ণ ধর বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থল থেকে ঘুরে এসেছি। কেউই সত্য প্রকাশে রাজি হচ্ছে না। দুই পক্ষই যার যার মতো বক্তব্য দিচ্ছে। এ কারণে তদন্ত ছাড়া সঠিক মন্তব্য করতে পারব না। নিহতের মরদেহ থানায় নিয়ে এসেছি। এখনো কেউ মামলা করতে আসেনি।



সাতদিনের সেরা