kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৬ আগস্ট ২০২২ । ১ ভাদ্র ১৪২৯ । ১৭ মহররম ১৪৪৪

মোর্শেদ হাসান খানকে ঢাবির বাসা ছাড়তেই হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৫ জুলাই, ২০২২ ১৯:৩৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মোর্শেদ হাসান খানকে ঢাবির বাসা ছাড়তেই হবে

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে অবমাননা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা থেকে অপসারিত মোর্শেদ হাসান খানকে বাসা ছাড়তেই হবে।

শিক্ষকতার চাকরি থেকে অপসারণের পরও বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তর ফুলার রোডের ৩৭ নম্বর আবাসিক ভবনের দ্বিতীয় তলায় ২৮০০ বর্গফুটের বাসায় বসবাস করছেন তিনি। গত ২৯ জুন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে এ বাসা ছাড়তে নোটিশ দিলে নোটিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেন মোর্শেদ হাসান খান।

পরে আজ মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ সে আবেদনটি খারিজ করে দেন।

বিজ্ঞাপন

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আবুল কালাম খান দাউদ।

আদালতের এ আদেশে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশ বহাল থাকায় মোর্শেদ হাসান খানকে ওই বাসা ছাড়তে হবে বলে সাংবাদিকদের জানান অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ।

২০১৮ সালের ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে একটি জাতীয় দৈনিকে অধ্যাপক মোর্শেদের লেখা ‘জ্যোতির্ময় জিয়া’ শিরোনামে একটি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। ওই নিবন্ধে বঙ্গবন্ধুকে কটূক্তি করা ও ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ তোলে ছাত্রলীগ। পরে অধ্যাপক মোর্শেদ ওই পত্রিকাতেই বিজ্ঞপ্তি দিয়ে লেখাটির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং বঙ্গবন্ধুসংশ্লিষ্ট অংশটুকু প্রত্যাহার করে নেন।

ওই বছরের ২ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মোর্শেদ হাসানকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দিয়ে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটির প্রতিবেদনের পর প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল করা হয়। ট্রাইব্যুনালের সুপারিশ অনুযায়ী গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর সিন্ডিকেটের সভায় মোর্শেদ হাসানকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতার চাকরি থেকে স্থায়ীভাবে অপসারণের সিদ্ধান্ত হয়।

পরে তা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করলে আদালত গত বছর জুন রুল দেন। তাঁকে চাকরি থেকে অপসারণের আদেশ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয় রুলে। তাঁকে চাকরির আগের অবস্থানে পুর্নবহাল করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, রুলে তাও জানতে চান আদালত। রুলটি বিচারাধীন।



সাতদিনের সেরা