kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১১ আগস্ট ২০২২ । ২৭ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১২ মহররম ১৪৪৪

ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন

বন্যা পুনর্বাসন কর্মসূচি স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাস্তবায়নের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ জুলাই, ২০২২ ১৮:২৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বন্যা পুনর্বাসন কর্মসূচি স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাস্তবায়নের দাবি

জাতীয় ও স্থানীয় এনজিও সুশীল সমাজ সংগঠনের নেটওয়ার্ক বিডিসিএসও আয়োজিত ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছে, যেকোনো দুর্যোগে স্থানীয় মানুষ ও প্রতিষ্ঠানই সবার আগে দুর্যোগে পীড়িত মানুষের সেবায় ছুটে যায়। তাই সংশ্লিষ্টদের উচিত স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। এ কারণেই হাওরাঞ্চলের বন্যাপরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে সহায়তা করতে হবে।   

আজ সোমবার বিডিসিএসও প্রসেস জাতীয় সমন্বয়কারী রেজাউল করিম চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন বিডিসিএসও সিলেট বিভাগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম কিম।

বিজ্ঞাপন

মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন বিডিসিএসও সিলেট বিভাগের সভাপতি তোফাজ্জল সোহেল। বক্তব্য দেন এওয়ার্ডের নির্বাহী পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ, এডাব সিলেট বিভাগের সমন্বয়কারী বাবুল আকতার, এডাব সিলেট জেলা সভাপতি এ টি এম বদরুল ইসলাম, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেটের অধ্যাপক জহিরুল হক শাকিল এবং দুর্যোগ বিশেষজ্ঞ গওহার নঈম ওয়ারা।  

মূল বক্তব্যে তোফাজ্জল সোহেল বলেন, জাতিসংঘসহ কয়েকটি সংস্থা সম্প্রতি বন্যা আক্রান্ত এলাকার ক্ষয়ক্ষতির ওপর একটি সমীক্ষা চালিয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের পাশাপাশি তারা বন্যাপরবর্তী পুনর্বাসনের জন্য প্রয়োজনীয়তাও যাচাই করেছে। সরকারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে।  

রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, দুর্যোগকবলিত মানুষের সহায়তায় আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর ভূমিকা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তাদেরকে তহবিল সংগ্রহ, কারিগরি সহায়তা ও মনিটরিংয়ে তাদের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। এসংক্রান্ত মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম স্থানীয় প্রতিষ্ঠানকেই বাস্তবায়ন করতে হবে। আর পুরো প্রক্রিয়া সরকারের মাধ্যমে সমন্বয় করতে হবে।

গওহার নঈম ওয়ারা বলেন, এখন স্থানীয় পুনর্বাসনের জন্য কী প্রয়োজন তার একটি চাহিদা নিরূপণ করা খুবই জরুরি। এই চাহিদাটা যাচাই করতে হবে স্থানীয় এলাকায় গিয়ে, স্থানীয় সংস্থাগুলোকেই। আইএমওর মতো আন্তর্জাতিব সংস্থাগুলোকে এখন জরুরি ভিত্তিতে হাওরাঞ্চলে বন্যায় বাস্তুচ্যুত মানুষের পাশে দাঁড়ানো উচিত। এটা শুধু একটা বন্যা নয়, এটা জলবাদ্ধতা। এর প্রভাব ব্যাপক। প্রতিটি জেলার জন্য সচিব পর্যায়ের একজন ত্রাণ কমিশনার নিয়োগ করা খুবই জরুরি বলে উল্লেখ করেন তিনি।



সাতদিনের সেরা