kalerkantho

শুক্রবার । ১৯ আগস্ট ২০২২ । ৪ ভাদ্র ১৪২৯ । ২০ মহররম ১৪৪৪

শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলেন কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৯ জুন, ২০২২ ১৮:৫২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলেন কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) ফোরকান আহমদ জানিয়েছেন, কক্সবাজারকে আকর্ষণীয় পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে মহাপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকার কথা সেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকবে। যেখানে বাণিজ্যিক এলাকা থাকার কথা সেখানে বাণিজ্যিক এলাকা ও পর্যটনের জন্য পরিকল্পিত পর্যটন এলাকা গড়ে তোলা হবে।

আজ বুধবার বিকেলে ২০২১-২২ অর্থবছরে শুদ্ধাচার পুরস্কার গ্রহণ ও এপিএ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ১২টি দপ্তর ও সংস্থার মধ্যে অনন্য নজির স্থাপন করেছে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। প্রতিষ্ঠার এই স্বল্প সময়ের মধ্যে মন্ত্রণালয়ের দপ্তর ও সংস্থার মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করায় বুধবার গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কক্সবাজর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লে. কর্নেল (অব.) ফোরকান আহমদকে শুদ্ধাচার পুরস্কার তুলে দেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ ও মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লাহ খন্দকার। এ সময় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন অন্যান্য দপ্তর ও সংস্থার চেয়ারম্যান এবং সংস্থা প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ২০২২-২৩ অর্থবছরে বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়। এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ বলেন, প্রতিষ্ঠার পর এই স্বল্প সময়ের মধ্যে কক্সবাজর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছে। কউক (কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) চেয়ারম্যানের দক্ষ লিডারশিপের কারণে এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ সাফল্যের এই ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সভাপতির বক্তব্যে সচিব শহীদ উল্লা খন্দকার বলেন, 'এপিএ চুক্তি যেকোনো প্রতিষ্ঠানের দর্পণস্বরূপ। বর্তমান সময়ে এপিএ চুক্তির মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠানে সফলতা-ব্যর্থতা প্রতিফলিত হয়। এই স্বল্প সময়ের মধ্যে এপিএ চুক্তি, বার্ষিক উদ্ভাবন কর্মপরিকল্পনা এবং জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ধারাবাহিক অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরেও সাফল্যের ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রাখবে বলে আমার দৃঢ়বিশ্বাস। '

পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ চেয়ারম্যান লে. কর্নেল (অব.) ফোরকান আহমদ বলেন, '১২টি দপ্তর সংস্থার প্রধানদের মধ্যে আমাকে শুদ্ধাচার পুরস্কারে জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। আমাদের টিমের প্রত্যেকের অবদান আছে। এটি পাওয়ার পর দায়িত্ব আরো বেড়ে গেছে। আগামী বছর যেন পজিশনটা ধরে রাখতে পারি সে জন্য কাজ করতে হবে। আমাদের কাজের আগ্রগতি হান্ড্রেড পার্সেন্ট। '



সাতদিনের সেরা