kalerkantho

শুক্রবার । ১২ আগস্ট ২০২২ । ২৮ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১৩ মহররম ১৪৪৪

শিক্ষক লাঞ্ছনা ও হত্যার বিরুদ্ধে ঢাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ

ঢাবি সংবাদদাতা    

২৮ জুন, ২০২২ ১৬:০৫ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



শিক্ষক লাঞ্ছনা ও হত্যার বিরুদ্ধে ঢাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ

নড়াইলে শিক্ষক লাঞ্ছনা ও সাভারে শিক্ষক হত্যার বিরুদ্ধে আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ছবি : কালের কণ্ঠ

নড়াইলে শিক্ষক লাঞ্ছনা ও সাভারে শিক্ষক হত্যার বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে 'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ' ব্যানারে এই প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।  

প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে শিক্ষক লাঞ্ছনা ও হত্যার ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মিহির লাল সাহা, জগন্নাথ হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি কাজল দাস, সাধারণ সম্পাদক অতনু বর্মনসহ জগন্নাথ হলের শিক্ষার্থী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

বিজ্ঞাপন

সমাবেশে মিহির লাল সাহা বলেন, 'আমি আজকে এখানে কথা বললাম। জানি না সামনে আমি কতটুকু নিরাপদ। একমাত্র সনাতন ধর্মাবলম্বী হওয়ার কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক তার নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে৷ এ ছাড়া অন্যান্য সংখ্যালঘু ধর্মগোষ্ঠীর শিক্ষকরাও নিরাপত্তার আশঙ্কায় থাকে। নির্যাতনের শিকার হতে হবে এই আশঙ্কায় অনেকে কথা বলার সাহস পায় না। সুতরাং এই সাম্প্রদায়িকতায় প্রতিবাদ একেবারে শিকড় থেকে তুলে না আনা হলে এর সমাধান হবে না। '

মিহির লাল সাহা আরো বলেন, ভবিষ্যতে এই বাংলাদেশ হয় পাকিস্তান, না হয় আফগানিস্তান হয়ে যাবে। বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখেন তা আর হবে না। তাই সাম্প্রদায়িকতার লাগাম টেনে ধরতে হবে। এর সঙ্গে যে কুচক্রী মহল জড়িত আছে তাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

সমাবেশে জগন্নাথ হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি কাজল দাস বলেন, 'আমরা জানি শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। শিক্ষকরা আমাদের শিক্ষা দান করে আমাদের ভবিষ্যৎকে আরো উন্নত করতে চান। সেই শিক্ষককে এখন নির্যাতন করা হয়। যেই প্রজন্ম শিক্ষককে জুতার মালা পরায়, শিক্ষককে মেরে ফেলতে পারে সেই প্রজন্মের লাগাম যদি এখনই টেনে ধরা না যায় তাহলে ভবিষ্যতে পস্তাতে হবে। ' 

কাজল দাস আরো বলেন, ইতিমধ্যে যেখানে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সেখানে কিছু কুচক্রী মহল যারা সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্পে জর্জরিত, তারা সব সময় চেষ্টা করছে কিভাবে দেশকে পিছিয়ে নেওয়া যায়, কিভাবে দেশে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে দেওয়া যায়। তাদের এই অপচেষ্টা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মেনে নেবে না। সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা, জগন্নাথ হল ছাত্রলীগের কর্মীরা সব সময় রুখে দাঁড়াবে।



সাতদিনের সেরা