kalerkantho

রবিবার । ২৬ জুন ২০২২ । ১২ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৫ জিলকদ ১৪৪৩

তথ্য-প্রযুক্তিতে ‘ড. ওয়াজেদ মিয়া হাই-টেক পার্ক’ অবদান রাখবে : স্পিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৬ মে, ২০২২ ২১:১৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



তথ্য-প্রযুক্তিতে ‘ড. ওয়াজেদ মিয়া হাই-টেক পার্ক’ অবদান রাখবে : স্পিকার

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, 'প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ের বাস্তবায়ন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের চিন্তাপ্রসূত ও দিকনির্দেশনায় আজ তথ্য-প্রযুক্তির সুফল জাতি ভোগ করছে। তথ্য-প্রযুক্তির এই সুবিধা কাজে লাগাতে পারলে স্বনির্ভর জাতি হিসেবে আমরা প্রতিষ্ঠিত হতে পারব। এ ক্ষেত্রে হাই-টেক পার্ক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। '

আজ বৃহস্পতিবার রংপুর সদর উপজেলাধীন খলিশাকুড়িতে ‘ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া হাই-টেক পার্ক, রংপুর’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মন্ডল, রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম রাজু, ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এ কে এম ছায়াদত হোসেন বকুল, রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিউর রহমান শফিক, লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. হুমায়ুন কবীর, রংপুরের জেলা প্রশাসক মো. আসিব আহসান, রংপুরের পুলিশ কমিশনার আবদুল আলীম মাহমুদ, বাংলাদেশ হাই-টেক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকর্ণ কুমার ঘোষ, হাই-টেক পার্ক স্থাপন (১২ জেলা) প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এ কে এ এম ফজলুল হক প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে স্পিকার বলেন, ‘ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া হাই-টেক পার্ক’ স্থাপন হলে এই এলাকার ছেলে-মেয়েরা অনলাইনে কাজ করে দেশের আর্থ-সামাজিক পরিবেশের ব্যাপক পরিবর্তন আনতে পারবে। হাই-টেক পার্ক বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে রংপুরে কর্মসংস্থান হবে প্রায় পাঁচ হাজার তরুণ-তরুণীর। হাই-টেক পার্ক প্রযুক্তিভিত্তিক শিল্পায়ন, তরুণদের কর্মসংস্থান এবং হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার শিল্পের উত্তরণ ও বিকাশে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, বর্তমান সরকার নিরলসভাবে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আইসিটি সেক্টরের উন্নয়নে নিবেদিতভাবে কাজ করছে। ধনী-গরিব, শিক্ষিত-অশিক্ষিত-নির্বিশেষে প্রযুক্তি বিভেদমুক্ত দেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার নিয়ে জাতি এগিয়ে চলেছে। ডিজিটাল প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে ২০২১ সালের মধ্যে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম উন্নত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

অনুষ্ঠানে লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের আওতায় শিক্ষার্থীদের মাঝে ল্যাপটপ বিতরণ করা হয়।



সাতদিনের সেরা