kalerkantho

শনিবার । ২ জুলাই ২০২২ । ১৮ আষাঢ় ১৪২৯ । ২ জিলহজ ১৪৪৩

কৃষক ফ্রন্টের মানববন্ধন-সমাবেশে নেতারা

'বোরো ধান প্রতি মণ ১২০০ টাকা না হলে কৃষক সর্বস্বান্ত হবে'

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৫ মে, ২০২২ ১৬:৪৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'বোরো ধান প্রতি মণ ১২০০ টাকা না হলে কৃষক সর্বস্বান্ত হবে'

বোরো ধানের দাম মণপ্রতি ১২০০ টাকা নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্টের নেতারা। এ সময় প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে সরকারি ক্রয়কেন্দ্র খুলে খোদ কৃষকের কাছ থেকে কমপক্ষে ৫০ লাখ টন ধান ক্রয়ের দাবিও জানানো হয়েছে।

আজ বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশে এই দাবি জানানো হয়। সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজের সভাপতিত্বে ও কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক নিখিল দাসের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন বাসদ ঢাকা নগরের সদস্যসচিব জুলফিকার আলী, শ্রমিক নেতা খালেকুজ্জামান লিপন, নারী নেত্রী রুখশানা আফরোজ আশা, ছাত্রনেতা মুক্তা বাড়ৈ, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের প্রদীপ সরকার প্রমুখ।

বিজ্ঞাপন

সমাবেশে নেতারা বলেন, বোরো ধান কাটা-মাড়াই মৌসুম চলছে। সরকার ধানের দাম মণপ্রতি এক হাজার ৮০ টাকা নির্ধারণ করেছে। কিন্তু উৎপাদন খরচ অনেক বেশি। আমরা উৎপাদন খরচের সঙ্গে ৪০ শতাংশ বাড়তি যুক্ত করে ফসলের দাম নির্ধারণের দাবি করেছি। বোরো ধানের দাম কমপক্ষে ১২০০ টাকা মণ নির্ধারণের দাবি জানাচ্ছি। তা না হলে কৃষকের লোকসান হবে, কৃষক সর্বস্বান্ত হবে।

নেতারা বলেন, কৃষি-কৃষক বাঁচাতে হলে ধানের দাম ১২০০ টাকা মণ নির্ধারণ এবং প্রতিটি ইউনিয়নে কমপক্ষে একটি করে ক্রয়কেন্দ্র খুলে খোদ কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করা দরকার। সিন্ডিকেট যাতে চালসহ দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি করে বাজার অস্থিতিশীল করে জনদুর্ভোগ বাড়াতে না পারে সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ও খাদ্যপণ্যের মজুদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কমপক্ষে ৫০ লাখ টন ধান ক্রয় করা প্রয়োজন। আর খাদ্যশস্য সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্যগুদাম-সাইলো নির্মাণ করতে হবে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, তিন বছর আগেই ২০০ সাইলো-গুদাম নির্মাণের সরকারি সিদ্ধান্ত হলেও আজ পর্যন্ত তার কিছুই বাস্তবায়িত হয়নি।

নেতারা সারা দেশে ক্ষেতমজুরসহ গ্রামীণ শ্রমজীবীদের জন্য আর্মি রেটে রেশনিং ব্যবস্থা চালুর দাবি জানান। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল প্রেস ক্লাব থেকে তোপখানা রোড, পুরানা পল্টন, বিজয়নগর ঘুরে সেগুনবাগিচা ভ্যানগার্ড কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।



সাতদিনের সেরা