kalerkantho

বুধবার । ২৯ জুন ২০২২ । ১৫ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৮ জিলকদ ১৪৪৩

গাফ্ফার চৌধুরীর অবদান অবিস্মরণীয় : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

১৯ মে, ২০২২ ১৫:২৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গাফ্ফার চৌধুরীর অবদান অবিস্মরণীয় : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রখ্যাত সাংবাদিক, কলামিস্ট ও ভাষা আন্দোলনের স্মরণীয় গান ‌‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’র রচয়িতা আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। আজ বৃহস্পতিবার (১৯ মে) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ শোক জানান তিনি।

শোকবার্তায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘বাংলাদেশের সাংবাদিকতায় আবদল গাফ্ফার চৌধুরীর অবদান অবিস্মরণীয়। বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় এবং আমাদের মুক্তিসংগ্রামের বিভিন্ন পর্যায়ে গাফ্ফার চৌধুরীর লেখনী, বিশেষ করে তাঁর লেখা ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ গান এক অমর সৃষ্টি।

বিজ্ঞাপন

’’

তিনি আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধকালে তাঁর প্রকাশিত পত্রিকা ‘জয় বাংলা’ মুক্তিযোদ্ধাদের যথেষ্ট অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশ একজন দেশপ্রেমিক কলমযোদ্ধাকে হারিয়েছে বলে উল্লেখ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি মরহুম আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানের রচয়িতা আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী বৃহস্পতিবার (১৯ মে) ভোর ৬টা ৪০ মিনিটে লন্ডনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই নানা অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি।

উল্লেখ্য, গাফ্ফার চৌধুরী ১৯৩৪ সালের ১২ ডিসেম্বর বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা হাজী ওয়াহিদ রেজা চৌধুরী ও মা মোসাম্মৎ জহুরা খাতুন। তিন ভাই, পাঁচ বোনের মধ্যে বড় ভাই হোসেন রেজা চৌধুরী ও ছোট ভাই আলী রেজা চৌধুরী। বোনেরা হলেন মানিক বিবি, লাইলী খাতুন, সালেহা খাতুন, ফজিলা বেগম ও মাসুমা বেগম। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর লন্ডনেই স্থায়ীভাবে বসবাস করে আসছিলেন তিনি।



সাতদিনের সেরা