kalerkantho

রবিবার । ২৬ জুন ২০২২ । ১২ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৫ জিলকদ ১৪৪৩

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রত্যাশিত মহামানবই বঙ্গবন্ধু : সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক   

১৮ মে, ২০২২ ২০:৪১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রত্যাশিত মহামানবই বঙ্গবন্ধু : সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর 'সভ্যতার সংকট' প্রবন্ধে জাতির সংকট মোচনে এক মহামানবের আগমন প্রত্যাশা করেছিলেন। সেই প্রত্যাশিত মহামানবই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আজ বুধবার জাতীয় জাদুঘর আয়োজিত সেমিনার ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলা ও বাঙালিকে বিশ্বের দরবারে সুমহান মর্যাদায় হাজির করেছেন এই দুই ব্যক্তিত্ব।

বিজ্ঞাপন

একজন রাজনীতি দিয়ে, অন্যজন সাহিত্য দিয়ে। ‘বাঙালি’ বলে যে জাতির কথা রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন, বঙ্গবন্ধু সেই জাতিকেই আবিষ্কার করেন ‘সোনার বাংলায়’।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাকে ভালোবেসে রবীন্দ্রনাথ লিখলেন, 'আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি,' আর বঙ্গবন্ধু সেটিকে ভালোবেসে  ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি মন্ত্রিসভার বৈঠকে জাতীয় সংগীতে রূপ দিলেন।

তিনি আরো বলেন, ‘বাঙালি তথা উপমহাদেশের ক্রান্তিলগ্নে সেই মহামানবের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন বঙ্গবন্ধু। গভীর অধ্যাত্মবিশ্বাসী এ দুই মহাপুরুষের চিন্তাভাবনা ও কর্মকাণ্ডে বাংলা ভাষা ও বাঙালির প্রতি ছিল অপরিসীম প্রেম।

জাতীয় জাদুঘর এর বোর্ড অব ট্রাস্টিজ এর সভাপতি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবুল মনসুর।

সেমিনারে ‘রবীন্দ্রনাথের শিক্ষা দর্শন’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ। আলোচনা করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রফেসর ও সাবেক তথ্য কমিশনার ড. খুরশীদা বেগম।  
অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, রবীন্দ্রনাথ আনন্দের সঙ্গে শিক্ষা গ্রহনের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। সেজন্য আমাদের নতুন প্রজন্মকে শিক্ষা দিতে হবে আনন্দঘন পরিবেশে।

তিনি আরো বলেন, লেখাপড়ার সর্বোচ্চ পর্যায় হচ্ছে মনুষ্যত্বের বিকাশ ঘটানো। আমাদের সেটিকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হবে। বঙ্গবন্ধু রবীন্দ্রনাথের দর্শনকে হৃদয়ে ধারণ করতেন। ১৯৬৬ সালের ছয়দফার কাউন্সিল অধিবেশন তিনি শুরু করেন ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি' দিয়ে। তখনই তিনি ভবিষ্যৎ স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসাবে এ গানটিকে মনে মনে স্থির করেন।

সূত্র : বাসস



সাতদিনের সেরা