kalerkantho

মঙ্গলবার ।  ১৭ মে ২০২২ । ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৫ শাওয়াল ১৪৪৩  

মৃত্যু এক অঙ্কে, শনাক্ত ৭ শতাংশে নেমেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ০৮:৫০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



মৃত্যু এক অঙ্কে, শনাক্ত ৭ শতাংশে নেমেছে

করোনার ওমিক্রন ধরনের তাণ্ডব ক্রমে কমছে। এক মাসের বেশি সময় পর মৃত্যু এক অঙ্কে নেমে এসেছে। দিনে রোগী শনাক্তের হারও নেমে এসেছে সাতের ঘরে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত রবিবার সকাল ৮টা থেকে গতকাল সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের।

বিজ্ঞাপন

এর আগে গত ২০ জানুয়ারি করোনায় আক্রান্ত হয়ে চারজনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সে হিসাবে প্রায় এক মাস পর  করোনায় আক্রান্ত হয়ে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু এক অঙ্কে  নেমে এসেছে। সর্বশেষ মৃত ওই ৯ জনকে নিয়ে দেশে সরকারি হিসাবে গতকাল পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২৮ হাজার ৯৭৪ জনের।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরো জানায়, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ৯৫১ জন। তাদের নিয়ে সরকারি হিসাবে মোট শনাক্ত হলো ১৯ লাখ ৩৫ হাজার ২৪২ জন। নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ছিল ৬.৯৪ শতাংশ।

এ পরিস্থিতি সম্পর্কে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইইডিসিআরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এ এস এম আলমগীর গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, করোনায় নতুন রোগী কমেছে—এটা ভালো সংবাদ। তবে মৃত্যুর সংখ্যা এক অঙ্কে নেমে আসার তথ্য পরিস্থিতির উন্নতি হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। কারণ সর্বশেষ যে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, তারা কমবেশি ২৮ দিন আগে সংক্রমিত হয়েছিল। ওই সময় এবং তার পরও কিছুদিন ১৩ থেকে ১৬ হাজার পর্যন্ত নতুন রোগী শনাক্ত হয়। সেসব রোগীর অনেকেই এখন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। সে কারণে আজ ৯ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেলেও আগামীকাল হয়তো বেশি মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যেতে পারে। এ অবস্থায় সবার সতর্ক থাকতে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।   

এদিকে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায়  মৃত ৯ জনের মধ্যে পুরুষ পাঁচজন আর নারী চারজন। তাদের মধ্যে ৬১ থেকে ৭০ বছরের তিনজন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের দুজন এবং শূন্য থেকে ১০ বছর, ২১ থেকে ৩০ বছর, ৭১ থেকে ৮০ বছর ও ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে একজন করে রয়েছে। মৃত ব্যক্তিদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের আছে তিনজন এবং চট্টগ্রাম বিভাগের ছয়জন। এদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে আটজন আর বেসরকারি হাসপাতালে একজনের মৃত্যু হয়েছে।



সাতদিনের সেরা