kalerkantho

বুধবার ।  ১৮ মে ২০২২ । ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৬ শাওয়াল ১৪৪৩  

দেশের অর্থনীতির গতিসঞ্চারে কাস্টমস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে

অনলাইন ডেস্ক   

২৬ জানুয়ারি, ২০২২ ১৩:১৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দেশের অর্থনীতির গতিসঞ্চারে কাস্টমস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের দ্বাররক্ষী হিসেবে পরিবেশ নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে গতিসঞ্চারে ভূমিকা রাখতে বাংলাদেশ কাস্টমসকে যথাযথ দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। এক্ষেত্রে কাস্টমস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।  

বুধবার (২৬ জানুয়ারি) ‘আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস-২০২২’ উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমকে সহজ, স্বচ্ছ ও গতিশীল করার জন্য বাংলাদেশ কাস্টমসের কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের নিবিড় যোগাযোগ স্থাপন খুবই জরুরি।

বিজ্ঞাপন

এক্ষেত্রে প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই। এই প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘Scaling up Customs Transformations by Embracing a Data Culture and Building a Data Ecosystem’ সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস ২০২২’ উপলক্ষে আমি বাংলাদেশ কাস্টমসের সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সেবাগ্রহীতা ও শুল্ককর প্রদানকারী সব অংশীজনকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।

মো. আবদুল হামিদ বলেন, নিরাপদ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিশ্চিত ও বাণিজ্যবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা শুল্ক বিভাগের অন্যতম দায়িত্ব। এজন্য কাস্টমস প্রশাসনের অবকাঠামোসহ সার্বিক প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধি ও উন্নয়নের বিকল্প নেই। এসব বিবেচনায় বর্তমান সরকার কাস্টমস বিভাগের আধুনিকায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, কাস্টমস ব্যবস্থাপনার অটোমেশন, করদাতাদের দ্রুত সেবাদান, আমদানি-রপ্তানি সরলীকরণ, কন্টেইনার/কার্গো স্ক্যানিং, বাণিজ্য ও ট্যারিফ উদারীকরণসহ ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো (এনএসডব্লিউ), ডাটা অ্যানালাইসিস ও আধুনিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে চোরাচালান ও জাল-জালিয়াতি প্রতিরোধে বাংলাদেশ কাস্টমস বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। তথ্য-প্রযুক্তিভিত্তিক আধুনিক কাস্টমস ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে একদিকে যেমন রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি পাবে তেমনি আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে অসাধু তৎপরতাও হ্রাস পাবে বলে আমি মনে করি।

তিনি বলেন, আমি আশা করি, বাংলাদেশ কাস্টমস দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের প্রসারকল্পে ডিজিটাল পদ্ধতিসহ আন্তর্জাতিক রীতিনীতি দ্রুত বাস্তবায়নপূর্বক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে আরও তৎপর হবে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের দ্বাররক্ষী হিসেবে পরিবেশ নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার করতে সক্ষম হবে। আমি ‘আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস-২০২২’ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করি।



সাতদিনের সেরা