kalerkantho

শনিবার ।  ২১ মে ২০২২ । ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৯ শাওয়াল ১৪৪৩  

ভার্চুয়াল সভায় বিশিষ্টজনরা

সব রকমের পাবলিক প্লেসে 'স্মোকিং জোন' নিষিদ্ধ দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৫ জানুয়ারি, ২০২২ ২০:২২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সব রকমের পাবলিক প্লেসে 'স্মোকিং জোন' নিষিদ্ধ দাবি

রেস্তোরাঁ, পর্যটন এলাকাসহ পাবলিক প্লেসগুলোকে শতভাগ ধূমপানমুক্ত করতে আইন সংশোধন করে স্মোকিং জোন নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন বিশিষ্টজনরা।

আজ মঙ্গলবার এক ভার্চুয়াল সভায় এ দাবি জানানো হয়। সভায় অংশগ্রহণ করেন এভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ (এটিজেএফবি) এর কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য, ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিডস বাংলাদেশ ও ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের কর্মকর্তারা।

এটিজেএফবির সভাপতি ও এটিএন বাংলার বার্তা সম্পাদক নাদিরা কিরণের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য সেক্টরের সহকারী পরিচালক মো. মোখলেছুর রহমান।

বিজ্ঞাপন

সভায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিডস বাংলাদেশের লিড পলিসি অ্যাডভাইজার মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং এটিজেএফবির সাধারণ সম্পাদক ও বিএসএসের অনলাইন ইনচার্জ তানজীম আনোয়ার। ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের মিডিয়া ম্যানেজার রেজাউর রহমান রিজভীর সঞ্চালনায় সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রগ্রাম অফিসার শারমিন আক্তার রিনি।

ঢাকা আহছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য সেক্টরের সহকারী পরিচালক মো. মোখলেছুর রহমান বলেন, 'কানাডা, স্পেন, নেপালসহ বিশ্বের ৬৩টি দেশে পাবলিক প্লেসে ধূমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান নিষিদ্ধ করে আইন রয়েছে। অথচ আমাদের দেশের আইনে পাবলিক প্লেসে যেমন চার দেয়ালে আবদ্ধ এক কক্ষ বিশিষ্ট নয় এমন রেস্টুরেন্ট, একাধিক কক্ষবিশিষ্ট গণপরিবহনে (ট্রেন, লঞ্চ) ও অযান্ত্রিক পাবলিক পরিবহনে ধূমপানের জন্য নির্ধারিত এলাকা বা ধূমপানের স্থান রাখার বিধান রয়েছে। ফলে অধূমপায়ীরাও এসব স্থানে গিয়ে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হচ্ছেন। সুতরাং অধূমপায়ীদের স্বাস্থ্য রক্ষায় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের ধারা ৭ বাতিল করে সব ধরনের পাবলিক প্লেসে ধূমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান নিষিদ্ধ করতে হবে। '

ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিডস বাংলাদেশের লিড পলিসি অ্যাডভাইজার মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, 'যিনি ধূমপান করেন না তার অধিকার আছে পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতির হাত থেকে নিজেকে রক্ষার জন্য। অথচ পরোক্ষ ধূমপানে ক্ষতিগ্রস্তের সংখ্যাই বেশি। যেহেতু ধূমপানের ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণ করা যায় না সে জন্য সব ধরনের পাবলিক প্লেসে ধূমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান নিষিদ্ধ করা উচিত। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমই পারে আমাদের এই বার্তা নিয়মিতভাবে সরকারের কাছে পৌঁছে দিতে। '

এটিজেএফবির সভাপতি ও এটিএন বাংলার বার্তা সম্পাদক নাদিরা কিরণ বলেন, আকাশপথে যদি ধূমপান নিষিদ্ধ থাকে তবে অন্যান্য পাবলিক ট্রান্সপোর্টেও ধূমপান নিষিদ্ধ করতে কঠোর আইন করতে হবে। এ ছাড়া রেস্টুরেন্ট ও হোটেলগুলোকে শতভাগ ধূমপানমুক্ত রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল স্টেকহোল্ডোরকেই উদ্যোগ নিতে হবে। এ জন্য পাবলিক প্লেসগুলোকে পুরোপুরি ধূমপানমুক্ত করতে আইন সংশোধন করতে হবে।



সাতদিনের সেরা