kalerkantho

বুধবার ।  ১৮ মে ২০২২ । ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৬ শাওয়াল ১৪৪৩  

দুদকের মামলায় জিকে শামীমের মা আয়েশা কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৫ জানুয়ারি, ২০২২ ১৩:৫৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



দুদকের মামলায় জিকে শামীমের মা আয়েশা কারাগারে

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে করা মামলায় আত্মসমর্পণের পর এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জিকে শামীমের মা আয়েশা আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এদিন আইনজীবীর মাধ্যমে জিকে শামীমের মা আয়েশা আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। অন্যদিকে দুদক জামিনের বিরোধিতা করে।

বিজ্ঞাপন

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে গত ১৬ নভেম্বর জিকে শামীম এবং তার মা আয়েশা আক্তারের বিরুদ্ধে দুদকের দেওয়া অভিযোগপত্র আমলে গ্রহণ করেন আদালত। তবে এ মামলায় পলাতক থাকায় আয়েশা আক্তারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এ মামলায় কারাগারে আটক রয়েছে আসামি জিকে শামীম।

২০১৯ সালের ২১ অক্টোবর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ জিকে শামীম ও তার মা আয়েশা আক্তারের বিরুদ্ধে ২৯৭ কোটি আট লাখ ৯৯ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অভিযোগ এনে দুদকের উপ-পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। এরপর তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ২২ ডিসেম্বর দুদক জিকে শামীম ও তার মায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র অনুমোদন করেন।  

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, জিকে শামীম ২০১৮-১৯ করবর্ষ পর্যন্ত ৫০ কোটি টাকার স্থাবর সম্পদের মালিক হয়েছেন। এর মধ্যে আয়কর নথিতে ৪০ কোটি ২১ লাখ ৪০ হাজার ৭৪৪ টাকার তথ্য উল্লেখ করলেও মোট টাকার বৈধ উৎস পায়নি দুদক। এ ছাড়া শামীমের বাসা থেকে উদ্ধার নগদ এক কোটি ৮১ লাখ ২৮ হাজার টাকা ও সাত লাখ ৪৭ হাজার টাকার বিদেশি মুদ্রা, শামীম ও তার মা আয়েশা আক্তারের নামে ১৬৫ কোটি ২৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকার এফডিআর, মায়ের নামে আরো ৪৩ কোটি ৫৭ লাখ ৪০ হাজার টাকার ব্যবসার অংশীদার এবং জিকেবি অ্যান্ড কম্পানির শেয়ার, গাড়ি ও এফডিআর বাবদ ৩৬ কোটি ৩৫ লাখ ১৮ হাজার ৭১৯ টাকার অস্থাবর সম্পদের বৈধ উৎস পায়নি দুদক।

অনুসন্ধানে জিকে শামীমের মা আয়েশা আক্তারের কোনো বৈধ আয়ের উৎসও খুঁজে না পাওয়ায় মামলাটি করে দুদক। ২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর নেতা জিকে শামীমকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। পরদিন তাদের গুলশান থানায় অস্ত্র, মাদক ও মানি লন্ডারিং আইনে তিনটি মামলা করা হয়।



সাতদিনের সেরা