kalerkantho

শুক্রবার ।  ২৭ মে ২০২২ । ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৫ শাওয়াল ১৪৪

সংসদে প্রশ্নোত্তরে শিক্ষামন্ত্রী

ঢাবির জমি উদ্ধারে ৩০ বছর ধরে চিঠি চালাচালি চলছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ জানুয়ারি, ২০২২ ১৯:২৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ঢাবির জমি উদ্ধারে ৩০ বছর ধরে চিঠি চালাচালি চলছে

অবৈধ দখলে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) জমি উদ্ধারে ৩০ বছর ধরে চিঠি চালাচালি চলছে। চিঠি চালাচালিতে নতুন ভবন নির্মাণকাজ বন্ধ থাকলেও নীলক্ষেত ও বাবুপুরা পুলিশ ফাঁড়ি এবং পরমাণু শক্তি কমিশনের দখলে থাকা জমি উদ্ধারে কোনো অগ্রগতি নেই। জাতীয় সংসদে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির দেওয়া লিখিত প্রশ্নোত্তরে এ তথ্য পাওয়া গেছে।  

আজ রবিবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হওয়া অধিবেশনে এসংক্রান্ত প্রশ্নটি উত্থাপন করেন সরকারদলীয় সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন।

বিজ্ঞাপন

লিখিত প্রশ্নে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কী পরিমাণ সম্পত্তি বেদখল রয়েছে এবং তা উদ্ধারে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে জানতে চান।

জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানান, বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব জমিতে নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ি, আনন্দ বাজার সংলগ্ন বাবুপুরা পুলিশ ফাঁড়ি এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের পরমাণু শক্তি কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকট স্থান সংকুলানের অভাব বিবেচনা করে নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ি খালি করে জায়গাটি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দিতে ২০০৮ সালের ২১ এপ্রিল স্বরাষ্ট্রসচিবকে অনুরোধ করা হয়। এ ছাড়া ২৯.৫৭ শতাংশ জমি হতে পুলিশ ফাঁড়ি সরিয়ে নিতে একই বছর ৩ জুন তৎকালীন পুলিশ কমিশনারকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়।

ডা. দীপু মনি জানান, বাবুপুরা পুলিশ ফাঁড়ির জায়গায় কোনো প্রকার ভবন নির্মাণ না করার বিষয়ে ২০০৫ সালের ২৯ মে পুলিশ কমিশনারকে চিঠি দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে ২০১৭ সালের ১ নভেম্বর ওই জায়গায় ছয়তলা ভবন নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার জন্য অতিরিক্ত ডিআইজি (এস্টেট) ড. শোয়েব রিয়াজ আলমকে অনুরোধ জানানো হয়। যার প্রেক্ষিতে ওই স্থানে বর্তমানে নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে।

পরমাণু শক্তি কমিশনের দখলে থাকা জমির উদ্ধার কার্যক্রম সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রী জানান, ১৯৯২ সালের ১ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আণবিক শক্তি গবেষণা কেন্দ্রটি সাভারে স্থানান্তরিত হওয়ার পর পরমাণু শক্তি কমিশনের জমি ও ভবনাদি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রদান করা হবে মর্মে প্রধানমন্ত্রীর সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ওই বছর ৩১ অক্টোবর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিবকে চিঠি দেন।  

এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে পরমাণু শক্তি কমিশনের ভূমি ও ভবনগুলো ঢাবির নিকট হস্তান্তরের অনুরোধ করে। সর্বশেষ ২০১৮ সালের ২৭ মার্চ অতীতের সকল কার্যক্রম উল্লেখ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানিয়েছে তারা।



সাতদিনের সেরা