kalerkantho

সোমবার ।  ১৬ মে ২০২২ । ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৪ শাওয়াল ১৪৪৩  

মানববন্ধন-সমাবেশে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা

জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল হিসেবে বিশ্ববাসীর কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক    

১৯ জানুয়ারি, ২০২২ ১৪:৩০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল হিসেবে বিশ্ববাসীর কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ দাবি

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল হিসেবে বাংলাদেশের জন্য বিশ্ববাসীর কাছে ক্ষতিপূরণ আদায়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তারা জলবায়ু ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠায় সংশ্লিষ্ট সব উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

আজ বুধবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে মোংলার দক্ষিণ কাইনমারি পশুর নদীপারে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও সমাবেশ থেকে এ আহ্বান জানানো হয়।

বাগেরহাট জেলা জলবায়ু অধিপরামর্শ ফোরাম, পশুর রিভার ওয়াটারকিপার, সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলন এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা লিডার্স আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) বাগেরহাট জেলা কমিটির আহ্বায়ক ও পশুর রিভার ওয়াটারকিপার মো. নূর আলম শেখ।

বিজ্ঞাপন

 

সমাবেশে বক্তৃব্য দেন সুন্দরবন রক্ষা আন্দোলনের কমলা সরকার ও চন্দ্রিকা মণ্ডল, মোংলা জেলে সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ হাওলাদার, বাপা নেতা হাসিব সরদার, বাদাবন সংঘের রাকেশ সানা প্রমুখ।  

সমাবেশে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবের ফলে লবণাক্ততা বৃদ্ধি, নদীভাঙন, কৃষিসহ সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য হুমকিতে। প্রতিনিয়ত দুর্যোগের কারণে উপকূলীয় জনপদের জীবন-জীবিকা বিপন্ন। এই অবস্থার পরিবর্তনের বিশেষ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও তা বাস্তবায়নে জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ করা প্রয়োজন। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে বিশ্ববাসীকে সরে এসে নবায়িত জ্বালানিশক্তি গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।

বক্তারা বলেন, আমাদের চারপাশে পানি থই থই করলেও খাবার পানি নেই। উপকূলের মানুষ নিরাপদ পানির গভীর সংকটে নিমজ্জিত। নদী ও পুকুরের লবণাক্ত পানি পান করে পশুর নদীপারের জনগণ নানাবিধ পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত। বিশেষ করে নারীরা সুপেয় পানির অভাবে শারীরিক সমস্যায় ভুগছে। জনজীবনের এই সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।



সাতদিনের সেরা