kalerkantho

বুধবার ।  ১৮ মে ২০২২ । ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৬ শাওয়াল ১৪৪৩  

শাস্তি নয়, সতর্ক করতে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা: কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ জানুয়ারি, ২০২২ ১৫:২৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শাস্তি নয়, সতর্ক করতে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা: কৃষিমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্র সরকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি বাংলাদেশকে শাস্তি দেয়ার জন্য নয়, সতর্ক করতে করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক।  

আজ রবিবার (১৬ জানুয়ারি) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত কৃষিমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাত করেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল আর. মিলার।   

এ সাক্ষাতে উভয় দেশের কৃষি, অর্থনীতি, বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক নানা ইস্যু ও সাম্প্রতিক মার্কিন নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আলোচনা হয়। সাক্ষাতাকরের মার্কিন দূতাবাসের এগ্রিকালচারাল অ্যাটাচে মেগান ফ্রান্সিস উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

 

সাক্ষাৎকালে দেশের কৃষি উৎপাদনের অভাবনীয় সাফল্যের কথা তুলে ধরে কৃষিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও ইউএস-এর মধ্যে কৃষিখাতের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। ইউএসএ বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা সিস্টেম (এনএআরএস) উন্নয়নে বেশ সহযোগিতা করেছে। বাংলাদেশ গত ৫০ বছরে কৃষি উৎপাদনে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে।  

মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল আর. মিলার বলেন, বাংলাদেশ ও ইউএসএর মধ্যে কৃষিখাতে গভীর সম্পর্ক বিদ্যমান। দুদেশের মধ্যে কৃষি বাণিজ্য অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ এখন ইউএসএর কৃষি পণ্যের ২৬তম বাজার। সামনের দিনগুলোতে কৃষিখাতে সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরও বাড়বে।  

রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাক্ষাত শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এসময় তিনি বলেন, আমরা অনেকক্ষণ যাবত কথা বলেছি। তারা বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র সরকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি বাংলাদেশকে শাস্তি দেয়ার জন্য নয়, সতর্ক করতে করা হয়েছে।

সম্প্রতি তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের বিষয়ে যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, তারা উত্তর কোরিয়া ও মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশকে একইভাবে বিবেচনা করার বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। যুক্তরাষ্ট্র সরকার মানবাধিকারের বিষয়টিকে খুবই গুরুত্ব দিয়েছে। বাংলাদেশ সফলভাবে জঙ্গি দমন করতে পেরেছে বলে তারা প্রশংসা করেছেন। তাদের ধারণা কিছু কিছু ক্ষেত্রে মানবাধিকার লঙ্ঘণ হয়েছে। সেটার উন্নতি হওয়া দরকার। তারা আশা করে এটা হবে।

মন্ত্রী বলেন, আমি তাদের বলেছি, আমাদের দেশে মানবাধিকার পরিস্থিত ভাল। মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেনি। বাংলাদেশ কঠোরভাবে জঙ্গিবাদ মোকাবেলা করেছে। কিছু জায়গায় আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর হয়তো ভুল করেছে, সেজন্য ১৯০ জন র‌্যাব কর্মকর্তার শাস্তি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে  রাষ্ট্রদূত যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সাথে কথা বলবেন। যাতে দ্রুত এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়।  



সাতদিনের সেরা