kalerkantho

শনিবার ।  ২১ মে ২০২২ । ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৯ শাওয়াল ১৪৪৩  

হাবিপ্রবির ভর্তি কার্যলক্রমে

২১ শিক্ষার্থীকে সুযোগ না দেওয়া নিয়ে হাইকোর্টের রুল

নিজস্ব প্রতিবেদক    

১৬ জানুয়ারি, ২০২২ ১৪:২৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



২১ শিক্ষার্থীকে সুযোগ না দেওয়া নিয়ে হাইকোর্টের রুল

দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তির অপেক্ষমান তালিকার ২১ শিক্ষার্থীকে রিপোর্ট করার সুযোগ না দেওয়া কেন অবৈধ হবে না, জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ৭ দিনের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

গণমাধ্যমে আসা এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন নজরে আনলে বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল রবিবার স্বপ্রণোদিত হয়ে রুল দেন।  

‘১৫ মিনিটে ২১ শিক্ষার্থীর স্বপ্নভঙ্গ’ শিরোনামে গত শুক্রবার খবর প্রকাশ করে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে।

বিজ্ঞাপন

ওইদিন আরেকটি জাতীয় দৈনিকেও এ সংক্রান্ত খবর ছাপা হয়।

প্রকাশিত দুটি খবর গতকাল রবিবার আদালতের নজরে আনেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ এম মাছুম, সাইফুর রহমান রাহী ও নাহিয়ান ইবনে সোবহান। আদালত শুনানি নিয়ে রুল দেন। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

পরে আইনজীবী সাইফুর রহমান রাহী কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘২১ জন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ১৫ মিনিট দেরির বিষয়টি বিবেচনা করতে পারত। এই ২১ শিক্ষার্থী চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগের। যেটুকু দেরি হয়েছে বলা হচ্ছে তার জন্য এই ভর্তিুচ্ছু শিক্ষার্থীরা দায়ী নয়। তারা তো ভর্তি হতেই এসেছিল। শ্যামলী পরিবহনের বাসটি যাত্রাবিরতি দিয়ে ২০ ঘণ্টায় গন্তব্যে পৌঁছায়। যেখানে সময় লাগে ১২ থেকে ১৩ ঘণ্টা। ’

নিউজ পোর্টালটির প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) স্নাতক প্রথম বর্ষে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের চেয়ে ১৫ মিনিট দেরিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছানোর কারণে ২১ শিক্ষার্থীর কাগজপত্র জমা নেয়নি কর্তৃপক্ষ। এতে করে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ভর্তি হতে পারলেন না এই শিক্ষার্থীরা।   

জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত রিপোর্টিং কার্যক্রমে অংশ নিতে বলা হয় ওয়েটিং লিস্টে থাকা শিক্ষার্থীদের। কিন্তু চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগের ২১ শিক্ষার্থী সোয়া ১২টায় ক্যাম্পাসে পৌঁছান। ভুক্তভুগী শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বাস চালক ও সুপার ভাইজারের (শ্যামলী পরিবহন) গাফিলতির কারণে নির্ধারিত সময়ে ক্যাম্পাসে পৌঁছাতে পারেননি তারা।

রিপোর্টিং কার্যক্রম শেষে ওই দিন দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশ করা হয় (৭৮৭ জনের)। এর পরপরই ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয় ছয়টি অনুষদের বিভিন্ন বিভাগে।



সাতদিনের সেরা