kalerkantho

শুক্রবার । ৭ মাঘ ১৪২৮। ২১ জানুয়ারি ২০২২। ১৭ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন

দেশের স্বার্থে যেখানে প্রয়োজন সেখানেই লবিস্ট

কূটনৈতিক প্রতিবেদক    

১৫ জানুয়ারি, ২০২২ ০৮:১৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দেশের স্বার্থে যেখানে প্রয়োজন সেখানেই লবিস্ট

আব্দুল মোমেন

দেশের স্বার্থে যেখানে তদবিরের প্রয়োজন হবে, সরকার সেখানেই তদবির চালাবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। গতকাল শুক্রবার ঢাকার ধানমণ্ডিতে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সে (বিলিয়া) এক আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা জানান।

সম্প্রতি দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পক্ষে ‘লবিস্ট’ প্রতিষ্ঠান (তদবিরকারী প্রতিষ্ঠান) নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে খবর প্রকাশ করে। র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে দেশটিতে বাংলাদেশ নতুন করে লবিস্ট নিয়োগ করবে কি না—জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি এসব বলতে পারব না।

বিজ্ঞাপন

আমেরিকার চর্চা এটি (লবিস্টদের কাজ)। এটা বোধ হয় ২০১৩-১৪ সালে করেছিল এবং ওরা কাজ করে। প্রত্যেক দেশেই...আমাদের দেশে আমরা তদবির বলি। ওই দেশে বলে প্রাতিষ্ঠানিক তদবির। যেখানে তদবির দরকার, সেখানে আমরা চালাব। দেশেও তো কাজ করতে গেলে অনেক সময় তদবির লাগে। ’

এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সময় সময় আমাদের অনেক ধরনের দুর্যোগ আসে। আমরা সেগুলো সমাধান করি। এখনো একটা হয়তো অসুবিধা আসছে। কিন্তু আমরা এটা সমাধান করতে পারব। আমেরিকানরা পরিপক্ব জাতি। তারা দেখবে। ’ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, যদিও র‌্যাবের ওপর যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বলছে যে গত কয়েক বছরে বাংলাদেশে সন্ত্রাস কমেছে। এটা তাদের নিরপেক্ষ সমীক্ষা। সেগুলো নিয়ে তারা চিন্তাভাবনা করবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাস দূর করা ও সন্ত্রাসীদের ধরা তাদের (যুক্তরাষ্ট্রের) লক্ষ্য। মাদক ও মানবপাচার কমানো তাদের লক্ষ্য। র‌্যাব এগুলো সফলভাবেই করছে। এ কারণেই র‌্যাব জনগণের আস্থা অর্জন করেছে। আমার মনে হয় সবাই এটা বুঝবে। তখন হয়তো অবস্থার পরিবর্তন হবে। ’ গণতন্ত্র প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘গণতান্ত্রিক কারণে এ দেশ সৃষ্টি হয়েছে। গণতন্ত্রে অনেক ধাক্কা আসে। সব গণতন্ত্রেই অপরিপূর্ণতা আছে। এটা একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। আমরা দিনে দিনে পরিপক্বতা অর্জন করেছি। আমেরিকা পরিপক্বতা অর্জন করার মধ্যেও ধাক্কা খায়। এ ধরনের ধাক্কাটাক্কা আসে। কোথাও দুর্বলতা থাকলে আমরা অবশ্যই তা দূর করার চেষ্টা করব। ’



সাতদিনের সেরা