kalerkantho

শনিবার । ১৫ মাঘ ১৪২৮। ২৯ জানুয়ারি ২০২২। ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

নারী নির্যাতন বন্ধে পারিবারিক নৈতিক শিক্ষার উপর গুরুত্বারোপ

অনলাইন ডেস্ক   

৯ ডিসেম্বর, ২০২১ ২১:৪৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নারী নির্যাতন বন্ধে পারিবারিক নৈতিক শিক্ষার উপর গুরুত্বারোপ

নারী নির্যাতন প্রতিরোধে পারিবারিক নৈতিক শিক্ষার উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম। তিনি বলেছেন, আমাদের দেশে অনেক পরিবারে নারীদের অবহেলা করা হয়, এটা বন্ধ করতে হবে। ছেলে-মেয়েদের ছোট থেকে নৈতিক শিক্ষা দিতে হবে, তবেই নারি নির্যাতন কমে আসবে। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে অবস্থিত ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনে নারী নির্যতন প্রতিরোধ পক্ষ  উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

 

ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করে যাচ্ছে। তার যোগ্য নেতৃত্বে আমরা অনেক এগিয়েছি। আমরা এখন বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে শিখেছি। নারী নির্যতন প্রতিরোধে দেশে সব আইন তিনি করে দিয়েছেন। এখন আমাদের এগুলো কাজে লাগাতে হবে। খাদ্য মন্ত্রণালয় নিয়ে সচিব বলেন, সরকার খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মধ্যেমেও নারীদের সহায়তা দেয়। কোন নারী শিশুকে কষ্ট করতে যেন না হয়, সে বিষয়টিকে আমরা গুরুত্ব দেয়। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ গুলোকে আমরা আরো ডিজিটাল করছি।  

সাভাপতির বক্তব্য ড.এস. এম খলিলুর রহমান বলেন,  ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের মূল লক্ষ্যে স্রষ্টার ইবাদত, সৃষ্টির সেবা করা। আমরা দেশের মানুষের  জন্য কাজ করে যাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা নেত্রীকে সহাতা করে দেশ ও জাতির জন্য কাজ করতে চাই।  

সেমিনারে বক্তারা বলেন, নারী ও কন্যা শিশু নির্যাতনের ঘটনা দিন দিন বেড়েই চলেছে। একইভাবে নির্যাতনের ধরন ও ভয়াবহতাও লাভ করেছে নতুন মাত্রা। পরিবার থেকে প্রতিষ্ঠান, সমাজ থেকে রাষ্ট্র সর্বত্রই আজও নারী ও কন্যা শিশুর নিরাপত্তা প্রশ্নের সম্মুখীন। প্রযুক্তির অপব্যবহার এ নির্যাতনের মাত্রাকে বাড়িয়ে ও ছড়িয়ে দিচ্ছে বহুগুণে।

সেমিনারে জানানো হয়, কভিড-১৯ মহামারী, বেকারত্ব এবং দারিদ্র্য সহ নারী সহিংসতার জন্য নানামুখী ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়সমুহকে ব্যাপকভাবে পরিবর্ধিত করেছে। এছাড়াও, জেন্ডার স্টিরিওটাইপ ও নারীর জন্য ক্ষতিকর সামাজিক চর্চার মতো অনেকগুলি মূল সমস্যাকে করে তুলেছে আরও শক্তিশালী। অনুমান করা হচ্ছে যে করোনার কারণে ১১ কোটি মেয়ে শিশুর স্কুলে ফেরত আসা বন্ধ হয়ে যেতে পারে, যার ফলাফল স্বরূপ বাল্যবিবাহের ঝুঁকি আরও বেড়ে যাবে।

ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সাধারণ সম্পাদক ড.এস. এম খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বক্তৃতা করেন ঢাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোছাঃ নাজমা নাহার, ডাম এর নির্বাহী পরিচালক ড.এম এহসানুর রহমান, নারায়নগঞ্জ মহিলা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কামিজা ইয়াসমিনসহ প্রমূখ।



সাতদিনের সেরা